05 June 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

June 4, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

"মিষ্টি বাচ্চারা — সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার গ্রহণ করার জন্য এক বাবার সাথেই ভালোবাসা রাখো, কোনও দেহধারীর প্রতি তোমাদের ভালবাসা থাকা উচিত নয়"

প্রশ্নঃ --

যারা দৈবী সম্প্রদায়ের হবে তাদের সামনে কোন্ কথাগুলি বারবার শোনাতে হবে ?

উত্তরঃ -:-

যখন তোমরা তাদের বলবে বাবাকে স্মরণ করলে বিকর্ম বিনাশ হয় আর দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা হয়, তখন এই কথাগুলি তাদের মনে প্রতিধ্বনিত হতে থাকবে । তাদের বুদ্ধিতে আসবে যে আমাদেরও দেবতা হতে হবে, সেইজন্য আমাদের খাদ্য-পানীয় শুদ্ধ হওয়া উচিত।

গান:-

ভোলানাথের মতো অনন্য কেউ নেই….

ওম্ শান্তি । ভোলানাথের বাচ্চারা শুনছে । কার থেকে শুনছে ? ভোলানাথের কাছ থেকে। শিবকে বলা হয় ভোলানাথ। ভোলানাথের বাচ্চা অর্থাত্ শিবের সন্তান। আত্মারা এই কান দিয়ে শুনছে। বাচ্চারা তোমরা এখন আত্ম-অভিমানী হয়েছ। বাচ্চারা টেপরেকর্ডারে মুরলী শুনেও মনে করে যে শিববাবা আমাদের নিজ পরিচয় দিচ্ছেন, আমি সর্ব আত্মাদের পিতা, যাঁকে তোমরা পরমপিতা পরম আত্মা অর্থাত্ পরমাত্মা বলে থাকো। তাঁকে ফাদারও বলা হয়। কে বলে উনি ফাদার ? আত্মা বলে। আত্মা এখন জ্ঞান প্রাপ্ত করেছে আর কোনো মানুষ মাত্রেরই এই জ্ঞান নেই। আমরা আত্মাদের দুই পিতা। একজন সাকার, একজন নিরাকার। পরমপিতা ছাড়া এই জ্ঞান আর কেউ দিতে পারে না। বাবা ছাড়া আর কেউ জিজ্ঞাসাও করতে পারে না। বাবা’ই জিজ্ঞাসা করেন তোমরা যে পরমপিতা পরমাত্মা, গড ফাদার বলো, কার জন্য বল ? লৌকিক পিতার জন্য বলো না কি পারলৌকিক পিতার জন্য বলো ? লৌকিক পিতাকে কি গডফাদার বলবে ? হিন্দিতে আছে পরমপিতা শব্দটি । তিনি একজনই নিরাকার। ঈশ্বর, প্রভু বা ভগবান বললে বাবার সাথে সম্বন্ধ বোঝায় না, গডফাদার শব্দটি সুন্দর । আত্মা বলেছে তিনি আমাদের গডফাদার। লৌকিক পিতা তো দেহধারী। তোমাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, তোমাদের পিতা কয়জন ? তোমরাই বলে থাকো একজন লৌকিক, দ্বিতীয় জন হলেন পারলৌকিক। দুজনের মধ্যে বড় কে ? নিশ্চয়ই বলবে পারলৌকিক পিতা। ওঁনার মহিমা — সমস্ত পতিতদের পবিত্র করে তোলেন এই পারলৌকিক পিতা। তোমরা এখন বুঝেছ সেটা, দুনিয়ার আর কেউ জানেনা। বাবা বলেছেন ‐- তোমাদের ভালোবাসা একমাত্র পারলৌকিক পিতার প্রতি। বাদবাকিদের বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি। এখন বিনাশের সময়। মহাভারতের লড়াই এখন শুরু হবে। এরোপ্লেন, ট্যাঙ্ক ইত্যাদি একে অপরকে সাপ্লাই করে চলেছে। পয়সার বিনিময়ে যার যেটা প্রয়োজন দিয়ে যাচ্ছে। ধার করেও নিচ্ছে। এরোপ্লেন, বারুদ ইত্যাদি সব কিনছে । এইসব জিনিস প্রচণ্ড ব্যয়বহুল। বিদেশীরা তৈরি করে, তারপর বিক্রি করে দেয়। ভারতবাসীরা এরোপ্লেন ইত্যাদি বিক্রি করে না। এইসব জিনিস বাইরে থেকে আসে। যা কিনবে সেটা তো নিশ্চয়ই কাজে লাগাবে। ফেলে দেওয়ার জন্য তো কিনবে না। এরাই হলো বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি সম্পন্ন যাদব সম্প্রদায়, যারা ইউরোপের বাসিন্দা, সবাই এর অন্তর্ভুক্ত। ভারত তো অবিনাশী খন্ড কেননা অবিনাশী বাবার বার্থ প্লেস। বাবা তখনই আসেন যখন পুরানো দুনিয়া শেষ হওয়ার মুখে। আর জন্ম সেখানেই নিয়ে থাকেন যা কখনোই শেষ হয়ে যাবে না। বাবা এসেছিলেন তবেই তো শিব জয়ন্তী পালন করে থাকে কিন্তু ওদের জানা নেই যে শিববাবা কখন আসেন। আসেন তখন যখন বিনাশের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়।

বাবা বলেন ‐‐ ওরা হলো ইউরোপবাসী যাদব সম্প্রদায় যারা সত্যযুগে থাকে না। আর না বৌদ্ধ, না ক্রিশ্চান ইত্যাদি ধর্মাবলম্বীরা সত্যযুগে থাকে। বাবা বলেন ওদের বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি, কেননা পরমাত্মা পিতাকে সর্বব্যাপী বলে থাকে। তোমাদের বিনাশ কালে প্রীত বুদ্ধি (একমাত্র বাবার প্রতি বিশ্বাস আর ভালোবাসা) । তোমরা বাবাকে জানো। তোমরা বুঝেছ আমরা ৮৪ জন্ম গ্রহণ করেছি । ৮৪ জন্মে পাপ আত্মা, তমোপ্রধান হয়ে গেছি। ভারতবাসীরাই ৮৪ জন্ম গ্রহণ করে। এখন নাটক সম্পূর্ণ হতে চলেছে, সবাইকে ফিরে যেতে হবে। বাবা তোমাদের রাজযোগ শেখাচ্ছেন। এখন সবার জন্যই মৃত্যুর সময়। ঐ যাদবদের ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা নেই , সেইজন্যই বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি বলা হয়ে থাকে। কোনও দেহধারীর প্রতি ভালোবাসা থাকা উচিত নয়। ওরা হলো রচনা, তাদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার পাওয়া যায় না। ভাই ,ভাইয়ের কাছ থেকে উত্তরাধিকার পেতে পারে না। যথার্থ রীতিতে এ’বিষয়ে তোমাদের বোঝান হয়েছে।

বাচ্চারা তোমরা এখন বুঝেছ — ওদের হলো বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি আর তোমাদের প্রীত বুদ্ধি। এর মধ্যেও যারা তীব্র প্রীত বুদ্ধির, তারা বাবার প্রতি সম্পূর্ণ প্রীতি রাখে। বাবার কাছ থেকে ২১ জন্মের জন্য স্বর্গের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করছ । এই বাবাই প্রকৃত সত্য বলেন যে কারো প্রতি ভালোবাসা রাখা উচিত নয়।

নতুন বাড়ি যখন তৈরি হয় তখন সেই বাড়ির প্রতিই ভালোবাসা জন্মায়। বোঝা যায় পুরোনোটি ভেঙে ফেলতে হবে। পুরানো দুনিয়া থেকে তোমাদের মন সরিয়ে নেওয়া উচিত। বাবা বুঝিয়েছেন — দিন-দিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকবে। তোমরা দেখতে পাবে চারদিকে কত হাঙ্গামা হয়ে চলেছে, সুতরাং বুঝতে পারবে এই দুনিয়া এখন শেষের দিকে। আমাদের এখন নতুন দুনিয়াতে যেতে হবে, সুতরাং নতুন দুনিয়াকেই স্মরণ করতে হবে। অসীম জগতের পিতা আর উত্তরাধিকারকে স্মরণ করতে হবে, অন্য কাউকে স্মরণ করলে কিছুই পাওয়া যাবে না। মানুষ ভক্তি মার্গে কত স্মরণ করে থাকে। মা, বাবা, বন্ধু, আত্মীয় পরিজনদের স্মরণ করার সাথে-সাথে দেবী-দেবতাদেরও স্মরণ করে থাকে। গঙ্গায় স্নান করে, যাকে পতিত-পাবনী বলে থাকে। দেখানো হয়েছে, তীর মারার সাথে-সাথে গঙ্গা নির্গত হয়েছে। মৃত্যুর সময় গঙ্গা জল মুখেও দিয়ে থাকে। মনে করা হয় সামান্য গঙ্গা জল পেলেও মুক্তি লাভ হবে। বাবা বলেন — এটাই জ্ঞান। তোমরা সামান্য জ্ঞান শুনলেও তার ফল পাবে। এই জ্ঞান শোনার বিষয়। অমৃত পান করার বস্তু নয়, এ’হল নলেজ। এমনটা ভেব না যে ভোগের দিন তোমাদের অমৃত পান করানো হয়। ওটা শুধুই মিষ্টি জল। এ’হল জ্ঞানের কথা। জ্ঞান অর্থাত্ বাবা আর সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তকে জানা। এই সৃষ্টি চক্র কিভাবে ঘোরে, কারা ৮৪ জন্ম নিয়ে থাকে। যারা দেবতা ছিল তারাই ৮৪ জন্ম ভোগ করে পতিত হয়ে যায়। বাবা এসে তারপর কাঁটা থেকে ফুলে পরিণত করেন। মানুষ দেহ-অভিমানে এসে ৫ বিকারে ফেঁসে যায়। এখন হলো রাবণ রাজ্য। সত্যযুগ ছিল দৈবী রাজ্য। শিববাবাই স্বর্গের রচয়িতা। সূর্যবংশীয় লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য ছিল। তোমরা জান এখন আবার স্থাপনা হচ্ছে। তোমাদের বিনাশ কালে প্রীত বুদ্ধি সেইজন্যই বিজয়ী হও। সম্পূর্ণ বিশ্বের উপর তোমরা বিজয় প্রাপ্ত করে থাকো। এটাই যথার্থ রীতিতে স্মরণ রাখতে হবে। তোমরা ভারতবাসী যারা এখন কলিযুগে আছ তারাই পবিত্র হয়ে স্বর্গে যাবে। পুরানো দুনিয়াকে ত্যাগ করতে হবে। এই যে বিকারগ্রস্ত সম্বন্ধ, একেই বন্ধন বলে। তোমরা বিকারী বন্ধন থেকে বেরিয়ে নির্বিকারী সম্পর্কের মধ্যে প্রবেশ করতে চলেছ। এর পরবর্তী জন্মে তোমরা বিকারী বন্ধনে জড়াবে না। সত্যযুগে নির্বিকার সম্পর্ক , এই সময় আসুরি বন্ধন। আত্মা বলে আমাদের শিববাবার প্রতি ভালোবাসা। তোমরা ব্রাহ্মণদের বাবার সাথে প্রীতি কেননা যথার্থ রীতিতে তাঁকে জেনেছ। বাবাকে , সৃষ্টি চক্রকে জেনে তোমরা অন্যদেরও বোঝাচ্ছ। যত অন্যদের বোঝাবে ততই অনেকের কল্যাণ করবে। যে ভালো করে বুঝেছে সে বিচক্ষণ এবং উচ্চ পদও সে প্রাপ্ত করবে। সার্ভিস কম করলে পদও কমে যাবে । সম্পূর্ণ দুনিয়া এখন পতিত। প্রত্যেককে পতিত থেকে পবিত্র হওয়ার পথ বলে দিতে হবে, অন্য কোনও উপায় নেই। স্মরণ দ্বারাই বিকর্ম বিনাশ হবে। যে দৈবী সম্প্রদায়ের হবে তার এই কথাগুলি অন্তর্মনে গুনগুন করবে, বুঝবে এ’তো ঠিক কথাই। আমরাই দেবী-দেবতা হই সুতরাং আমাদের ভোজনও শুদ্ধ হওয়া উচিত। দৈবীগুণ এখানেই ধারণ করতে হবে, সর্বগুণসম্পন্ন হতে হবে। তোমরা এখন হতে চলেছ। এই যে লক্ষ্মী-নারায়ণ দেবী-দেবতা, এদের যখন ভোগ দেওয়া হয় তখন কি সিগারেট ইত্যাদি ভোগে দেওয়া হয়? সিগারেট খায় যারা তারা উচ্চ পদ পেতে পারে না। সিগারেট কোনও দৈবী বস্তু নয়। সিগারেট খেলে বা রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি খেলে আরও নিচে নেমে যাবে। বলে থাকে এ’সব ছাড়লে শরীর খারাপ হয়ে যায়। বাবা বলেন — শিববাবাকে স্মরণ কর। এইসব অভ্যাস ছেড়ে দিলে তোমাদের সদ্গতি হবে। সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস অনেকের মধ্যেই আছে। বোঝানো হয়, দেবতাদের এইসব দ্রব্য কখনোই ভোগে দেওয়া হয় না। সুতরাং এদের মতো তোমাকে এখানেই হতে হবে। ছিঃ ছিঃ জিনিস খেলে তার গন্ধ বাইরে বেরিয়ে আসে। সিগারেট বা মদ্যপান করে যারা দূর থেকেই গন্ধ পাওয়া যায়। বাচ্চারা তোমরা হলে ঈশ্বরীয় সন্তান। এটাই তোমাদের সর্বোত্তম জন্ম। দেবতাদের থেকেও তোমরা উত্তম। তোমাদের অন্যদেরও উত্তম করে তুলতে হবে। এই হলো অসীম জগতের পিতার মিশনারি। ক্রিশ্চান মানুষদের মিশনারি হয়না ! নিজেদের ক্রিশ্চান ধর্মে অনেককেই কনভার্ট করে থাকে। এ’হলো ঈশ্বরীয় মিশনারি। তোমরা শূদ্র থেকে ব্রাহ্মণে পরিণত হয়েছ, তারপর দেব-দেবীতে পরিণত হও। তোমরা জান আমরা শূদ্র থেকে ব্রাহ্মণ হয়েছি। তোমরা জীবিত থেকেও মৃত ( পুরানো দুনিয়া থেকে বৈরাগ্য) তারপর দেবতা হবে। তোমরা গর্ভের মাধ্যমে জন্ম গ্রহণ করবে। এখানে বাবা তোমাদের ধার্মিক করে তোলার জন্য গ্রহণ করেছেন। বাবা তোমাদের তাঁর নিজের করেছেন। বাবা তোমাদের পড়াচ্ছেন, তোমরা প্রথমে ব্রাহ্মণ হও এবং পরে দেবতা। মানুষ এত উন্নত যে তাদের মধ্যে সমস্ত ঈশ্বরীয় গুণ আছে। যখন তোমাদের আত্মা পবিত্র হবে তখন পবিত্র শরীরেরও প্রয়োজন হবে। পুরানো শরীর শেষ হলে নতুন সতোপ্রধান শরীর প্রয়োজন হবে। সত্যযুগে ৫ তত্ত্বও সতোপ্রধান হয়ে যাবে। বাবা বলেন — তোমরা শূদ্র বর্ণে ছিলে, এখন ব্রাহ্মণ বর্ণের হয়েছ এরপর দৈবী বর্ণে যাবে। ৮৪ জন্ম নেবে না! ব্রাহ্মণ বর্ণদের গুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। এখন বাবা শূদ্র থেকে ব্রাহ্মণ তারপর দেবতা করে তোলেন।

ব্রাহ্মণরা শীর্ষস্থানীয়। তোমরা এখন ব্রাহ্মণ তারপর দেবতা এবং তারপর ক্ষত্রিয় এবং এরপর আবার ব্রাহ্মণ হয়ে উঠবে। বাঁদরের খেলা না ! (শুধুই ডিগবাজি খাওয়া) একেই বলে চক্র। এখন তোমরা ব্রাহ্মণ বর্ণে ।এই নলেজ এখনকার জন্য তারপর প্রালব্ধ ভোগ করবে। সত্যযুগে সুখে থাকবে। ২১ জন্ম নম্বরানুসারে এই সময়ের পুরুষার্থ অনুযায়ী কেউ রাজ পরিবারে কেউ প্রজার ঘরে যাবে। রাজ ঘরানায় অগাধ সুখ তারপর ধীরে-ধীরে কলা কম হতে থাকবে। তোমরা ৮৪ জন্মের জ্ঞান পেয়েছ। স্মৃতি এসেছে। বাবা এসে বোঝান মিষ্টি-মিষ্টি বাচ্চারা, তোমাদের এখন ৮৪ জন্ম সম্পূর্ণ হয়েছে। কেউ-কেউ ৮৪ জন্ম, ৮০, ৫০ বা ৬০ জন্মও নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি সুখ তোমরা ভারতবাসীরা দেখে থাকো। এই ড্রামায় তোমাদের নাম প্রসিদ্ধ। দেবতাদের থেকেও তোমরা উচ্চ। তোমরা জানো আমরাই পূজ্য হয়ে উঠি। সত্যযুগে আমরা কাউকে পূজা করিনা, না কেউ আমাদের পূজা করে। ওখানে আমরাই পূজ্য তারপর ধীরে-ধীরে কলা কম হতে থাকে। আমরাই পূজ্য থেকে পূজারি হয়ে মাথা নত করি। দ্বাপর থেকে আমরা পূজারী হতে শুরু করি। শেষে গিয়ে সবাই ব্যভিচারী হয় যাই । এই শরীর পাঁচ তত্ত্বের তৈরি তাকে যখন কেউ বসে পূজা করে বলা হয় ভূত পূজা। প্রত্যকের মধ্যে ৫ ভূত আছে। দেহ-অভিমানের ভূত তারপর কাম-ক্রোধের ভূত। ভূত সম্প্রদায় বলো অথবা আসুরি সম্প্রদায় বলো , একই কথা। বাবা এসে তারপর দৈবী সম্প্রদায় গড়ে তোলেন। বাবা আসেন ভূত থেকে ছাড়িয়ে নিজের সাথে যোগযুক্ত করে দেবতা করে তুলতে। গুরু নানকও মহিমা করে বলেছেন পরমপিতা পরমাত্মা মানুষকে দেবতা বানিয়েছেন। তিনিই পতিতদের পবিত্র করে তোলেন। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্নেহ-সুমন স্মরণ-ভালবাসা আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী সন্তানদের জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) ব্রাহ্মণ থেকে দেবতা হওয়ার জন্য যা কিছু ছিঃ ছিঃ অভ্যাস আছে সব ত্যাগ করতে হবে। শূদ্রদের ব্রাহ্মণ ধর্মে কনভার্ট করে দেবতা করে তোলার জন্য ঈশ্বরীয় মিশনের কাজে সহযোগী হতে হবে। মদ, সিগারেট বা যা কিছু খারাপ অভ্যাস আছে তা দূর করতে হবে।

২ ) এই বিনাশের সময় শুধু এক বাবার প্রতিই প্রকৃত ভালোবাসা রাখতে হবে। পুরানো বাড়ি ভাঙতে চলেছে সেইজন্য এখান থেকে মনকে সরিয়ে নতুন নির্মাণের দিকে জুড়তে হবে।

বরদানঃ-

প্রবৃত্তি মার্গে প্রথমে বৃত্তির দ্বারাই তোমরা পবিত্র বা অপবিত্র হয়ে থাকো। যদি বৃত্তিকে সবসময় এক বাবার সাথেই জুড়ে দাও, এক বাবা দ্বিতীয় কেউ নয়— এমনই উচ্চ বৃত্তি থাকলে প্রবৃত্তি প্রগতির উপায় হয়ে যাবে। বৃত্তি যদি উচ্চ আর শ্রেষ্ঠ হয় তবে চঞ্চলতা আসতে পারে না। এমনই শ্রেষ্ঠ বৃত্তির দ্বারা প্রগতি করতে পারলেই গতি-সদ্গতি সহজেই প্রাপ্ত হবে। তারপর সব কমপ্ল্যান(অভিযোগ) কমপ্লিট(সমাপ্ত) হয়ে যাবে।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top