02 September 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

September 1, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

“মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা নিজেদের ভবিষ্যতের ভাগ্য নতুন দুনিয়ার জন্য বানাচ্ছো, এই রাজযোগ হলই নতুন দুনিয়ার জন্য”

প্রশ্নঃ --

ভাগ্যবান বাচ্চাদের মুখ্য নিদর্শন গুলি কি হবে ?

উত্তরঃ -:-

১. ভাগ্যবান বাচ্চারা নিয়ম অনুযায়ী শ্রীমৎ অনুসারে চলবে। কোনো নিয়ম বিরুদ্ধে কাজ করে নিজেকে অথবা বাবাকে ঠকাবে না। ২. তাদের খুব শখ থাকবে পড়াশোনার। বোঝাবারও শখ থাকবে। ৩. পাস উইথ অনার হয়ে স্কলারশিপ প্রাপ্ত করার পুরুষার্থ করবে। ৪. কখনও কাউকে দুঃখ দেবে না। কখনও কোনো উল্টো কর্ম করবে না।

গান:-

ভাগ্য জাগিয়ে এসেছি…

ওম্ শান্তি । মিষ্টি-মিষ্টি রূহানী বাচ্চারা অর্থাৎ আত্মা রূপী বাচ্চারা গীত শুনলো। নতুনরাও শুনলো পুরানো বাচ্চারাও শুনলো, কুমারীরাও শুনলো। এ হল পাঠশালা। পাঠশালায় অনেকে ভাগ্য নির্মাণ করতে যায়। সেখানে তো অনেক রকমের ভাগ্য আছে, কেউ সার্জেন হতে যায়, কেউ ব্যারিস্টার হওয়ার ভাগ্য নির্মাণ করে। ভাগ্যকে মুখ্য উদ্দেশ্য বলা হয়। ভাগ্য নির্মাণ না থাকলে পাঠশালায় কেন পড়বে। এখন এখানে বাচ্চারা জানে যে, আমরাও ভাগ্য উদয় করে এসেছি- নতুন দুনিয়ার জন্য নিজের রাজ্য ভাগ্য নিতে। এটা হল নতুন দুনিয়ার জন্য রাজযোগ। তারা পুরানো দুনিয়ার জন্য ব্যারিস্টার, ইঞ্জিনিয়ার, সার্জন ইত্যাদি হয়ে থাকে। সে’সব হতে হতে এখন পুরানো দুনিয়ার টাইম খুবই অল্প রয়েছে, সেটা তো সমাপ্ত হয়ে যাবে। সেই সবের ভাগ্য হল এই মৃত্যু লোকের জন্য, এই জন্মের জন্য। তোমাদের পঠন-পাঠন হল নতুন দুনিয়ার জন্য। তোমরা নতুন দুনিয়ার জন্য ভাগ্যকে বানিয়ে নিয়ে এসেছো। নতুন দুনিয়াতে তোমাদের রাজ্য-ভাগ্য প্রাপ্ত করবে। কে পড়ান ? বেহদের বাবা, যার থেকেই অবিনাশী উত্তরাধিকার পেতে হবে। যেমন ডাক্তারদের ডাক্তারী করবার উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয় নিজেদের পঠন-পাঠনের মাধ্যমে। আচ্ছা, যখন বয়স হয় তখন গুরুর কাছে যায়। কী চায় ? বলে আমাকে শান্তিধামে যাওয়ার শিক্ষা দিন, আমাকে সদ্গতি প্রদান করুন। এখান থেকে নিয়ে গিয়ে শান্তিধামে নিয়ে চলুন। বাবার থেকেও বর্সা প্রাপ্ত হয় – এই জন্মের জন্য। বাকি গুরুর থেকে কিছুই পাওয়া যায় না। টিচারের থেকে কিছু না কিছু বর্সা পাওয়া যায়, কারণ জীবিকা অর্জন তো করতে হবে। বাবার সম্পত্তি পাওয়ার পরেও পড়াশোনা করে যে আমিও (নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে) উপার্জন করি। গুরুর থেকে কামাই কিছুই হয় না। হ্যাঁ, কেউ কেউ গীতা ইত্যাদি খুব ভালো ভাবে পাঠ করে তার ওপরে খুব ভালো ভাষণ ইত্যাদি করতে থাকে। এই সবই হল অল্প কালের সুখের জন্য। এখন তো হল এই মৃত্যু কালের অন্ত। তোমরা জানো যে, আমরা নতুন দুনিয়ার জন্য ভাগ্য তৈরী করতে এসেছি। এই পুরানো দুনিয়া সমাপ্ত হয়ে যায় । বাবার কিম্বা নিজের সব সম্পদ ভস্ম হয়ে যাবে । হাত তো খালি হয়ে যাবে। এখন তো উপার্জন চাই নতুন দুনিয়ার জন্য। পুরানো দুনিয়ার মানুষ তো তা করতে পারবে না। নতুন দুনিয়ার জন্য উপার্জন একমাত্র করাতে পারেন শিব বাবাই। এখানে তোমরা নতুন দুনিয়ার জন্য ভাগ্য তৈরী করতে এসেছো। সেই বাবা’ই হলেন তোমাদের বাবাও, টিচারও, গুরুও। আর তিনি আসেনই সঙ্গমযুগে, ভবিষ্যতের জন্য উপার্জন করা শেখাতে। এখন এই পুরানো দুনিয়ার তো আর অল্প দিনই রয়েছে। এই দুনিয়াকে মানুষ জানে না। তোমরা বাচ্চারা জানে যে, নতুন দুনিয়ার জন্য ইনি হলেন আমাদের বাবা, টিচার আর সদ্গুরু। বাবা আসেনই শান্তিধাম, সুখধামে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কেউই ভাগ্য বানায় না, আসলূ তারা তো কিছুই বোঝে না। একই পরিবারে স্ত্রী ঈশ্বরীয় পাঠ পড়ে, পুরুষ পড়ে না, বাচ্চারা পড়ছে মা – বাবা পড়তে চায় না। এইরকম হতে থাকে। শুরুর দিকে পরিবারের পর পরিবার এসেছে। কিন্তু মায়ার ঝড় লাগার ফলে আশ্চর্যবৎ শুনন্তি, কথন্তি, বাবাকে ছেড়ে চলে গেছে। গাওয়াও হয়েছে আশ্চর্যবৎ শুনন্তি কথন্তি বাবার বনন্তি, পাঠ পড়াবন্তি তারপরেও…. হায় প্রকৃতি, ড্রামার। ড্রামারই তো বিষয় হল তাই না ! বাবা নিজে বলেন অহো ড্রামা, অহো মায়া ! কাকে দূরে সরিয়ে দিলে ! স্ত্রী – পুরুষ একে অপরকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। বাচ্চারা বাবাকে দূরে সরিয়ে দেয়। এখানে তো সেটা নেই। এখানে তো ডিভোর্স দিতে পারবে না। বাবা তো এসেছেন বাচ্চাদেরকে সত্যিকারের উপার্জন করাতে। বাবা কী কখনো কাউকে গর্তে ফেলে দেবেন ! বাবা তো হলেনই পতিত-পাবন, রহমদিল। বাবা এসে দুঃখের থেকে লিবারেট করতে আর গাইড হয়ে সাথে নিয়ে যান। এমন কোনো লৌকিক গুরু নেই যে বলবে যে তোমাকে সাথে করে নিয়ে যাবো। শাস্ত্রে রয়েছে ভগবানুবাচ – আমি তোমাদের সবাইকে নিয়ে যাবো। মশার ঝাঁকের মতো সবাই যাবে। তোমরা বাচ্চারা খুব ভালো করে জানো যে, এখন আমাদেরকে ঘরে ফিরে যেতে হবে। এই শরীর ছাড়তে হবে। আমি মরলে এই দুনিয়া আমার কাছে মৃত। নিজেকে কেবল আত্মা মনে করে বাবাকে স্মরণ করতে হবে। এটা তো পুরানো পরিধান, ছিঃ ছিঃ। এই দুনিয়াটাও হল পুরানো । যেমন পুরানো বাড়িতে বসে থাকে, নতুন বাড়ি সামনে তৈরী হতে থাকে, তো বাবাও মনে করবে আমার জন্য, বাচ্চারাও মনে করবে আমাদের জন্য তৈরী হচ্ছে। বুদ্ধি চলে যাবে নতুন বাড়ির দিকে। ওটাতে এটা বানাও, এটা করো। বুদ্ধি তাতেই লেগে থাকে। তারপর পুরানোটাকে ভেঙে ফেলে। ভালবাসা পুরানোটার থেকে সরে গিয়ে নতুনের সাথে জুড়ে যায়। আর এ হল বেহদের দুনিয়ার কথা। পুরানো দুনিয়ার থেকে ভালবাসাকে সরাতে হবে আর নতুন দুনিয়াতে লাগাতে হবে। জানে যে, এই পুরানো দুনিয়া সমাপ্ত হয়ে যাবে । নতুন দুনিয়া হল স্বর্গ। তাতে আমরা রাজত্বের পদ প্রাপ্ত করি। যত বেশি যোগে থাকবে, জ্ঞানের ধারণা করবে, অন্যদেরকে বোঝাবে, ততই খুশীর পারদ ঊর্ধ্বমুখী হবে। অনেক উঁচু পরীক্ষা। আমরা ২১ জন্মের জন্য অবিনাশী উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করছি। বিত্তশালী হওয়া তো ভালো, তাই না ? দীর্ঘ আয়ু পাওয়া গেলে তো ভালো, তাই না ! সৃষ্টিচক্রকে স্মরণ করলে, যত জনকে নিজ সমান বানাবে ততই লাভ। রাজা হতে হবে তো প্রজাও তো বানাতে হবে। প্রদর্শনীতে এত এত জন আসে, তারা সবাই প্রজা হতে থাকবে, কেননা এই অবিনাশী জ্ঞানের বিনাশ হয় না। বুদ্ধিতে আসবে – পবিত্র হয়ে পবিত্র দুনিয়ার মালিক হতে হবে। রাম-রাজ্যের স্থাপনা হচ্ছে, রাবণ রাজ্যের বিনাশ হয়ে যাবে। সত্যযুগে তো হবে দেবতারা।

বাবা বাচ্চাদেরকে বুঝিয়েছেন – লক্ষ্মী-নারায়ণের যে চিত্র তোমরা বানাবে তাতে লিখতে হবে যে, এনারা তমোপ্রধান দুনিয়াতে ছিলেন, তারপর পুরুষার্থের দ্বারা তমোপ্রধান দুনিয়া থেকে সতোপ্রধান বিশ্বের মালিক হবেন। মালিক তো রাজা – প্রজা সবাই হয়, তাই না ! প্রজারও বলবে ভারত আমাদের সবথেকে উচ্চ মহান দেশ। বরাবর ভারতই সবথেকে মহান ছিল। এখন নেই, তবে অবশ্যই ছিল। এখন তো একেবারেই গরিব হয়ে গেছে। প্রাচীন ভারত সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী ছিল। আমরা ভারতীয়রা সবচেয়ে উচ্চ দেবতা কুলের ছিলাম। অন্য কাউকেই আর দেবী-দেবতা বলা যায় না। এখন তোমরা কন্যারা পড়ছো, তারপর অন্যদেরকেও বোঝাতে হবে। বাবা তো ডায়রেক্শন দিয়েছেন, তাই না ? কীভাবে প্রদর্শনীর জন্য টেলিগ্রাম লিখে পাঠাতে হবে। তোমাদের কাছে চিত্রও আছে। তোমরা প্রমাণের সাথে বলতে পারবে যে, তারা এই পদ কীভাবে প্রাপ্ত করেছিলেন। এখন আবার এই পদ প্রাপ্ত করছেন শিব বাবার কাছ থেকে। তাঁর চিত্রও রয়েছে। শিব বাবা হলেন পরমপিতা পরমাত্মা । ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করেরও চিত্র রয়েছে। পরমপিতা পরমাত্মা ব্রহ্মার দ্বারা স্থাপনা করছেন। বিষ্ণু পুরী সামনে রয়েছে। বিষ্ণুর দ্বারা নতুন দুনিয়ার পালন। বিষ্ণু হল রাধা-কৃষ্ণের দুই রূপ। এখন তাহলে গীতার ভগবান কে দাঁড়াল ? আগে তো এটা লেখো যে, গীতার ভগবান হলেন নিরাকার শিব, কৃষ্ণ নন। ব্রহ্মা থেকে বিষ্ণু, বিষ্ণু থেকে ব্রহ্মা কীভাবে হন। একটি চিত্রে বোঝাতেই কত সময় লেগে যায়, বিষয়টি বুদ্ধিতে যাতে বসে । সবার আগে তো এটা বুঝিয়ে তারপর লিখতে হবে – বাবা বলেন, ব্রহ্মার দ্বারা তোমাদের ২১ জন্মের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয় । শিব বাবা ব্রহ্মার দ্বারা অবিনাশী উত্তরাধিকার দিচ্ছেন । সবার আগে এনার আত্মা শোনে। আত্মাই ধারণ করে। মূল কথাই হল এটা। চিত্র তো শিব বাবার দেখানো হয়। ইনি হলেন পরমপিতা পরমাত্মা শিব, তারপর প্রজাপিতা ব্রহ্মাকে তো অবশ্যই চাই। এখানে তো ব্রহ্মার ব্রহ্মাকুমার-কুমারী অনেক অনেক রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত না ব্রহ্মার সন্তান না হচ্ছো, ব্রাহ্মণ না হচ্ছো, শিব বাবার কাছ থেকে বর্সা কীভাবে নেবে ? গর্ভজাত তো হতে পারবে না। এও গাওয়া হয়ে থাকে মুখ বংশাবলী। তোমরা বলবে আমরা হলাম প্রজাপিতা ব্রহ্মার মুখ বংশাবলী। তারা হয় গুরুর চেলা হয় অথবা ফলোয়ার্স। এখানে তোমরা সেই এক কেই বাবা, টিচার, সদ্গুরু বলে থাকো। সেও তাঁকেই বলো যিনি হলেন নিরাকার শিব বাবা, জ্ঞানের সাগর, নলেজফুল । সৃষ্টির আদি – মধ্য – অন্তের জ্ঞান তিনি প্রদান করেন। তিনি টিচারও। নিরাকার, এসে সাকারে দ্বারা জ্ঞান শোনান। আত্মাই তো কথা বলে তাই না ! আত্মা বলে আমার শরীরকে বিরক্ত ক’রো না। দুঃখী আত্মা হয়। এই সময় হল পতিত আত্মা। পতিতদেরকে পবিত্র বানান পরমপিতা পরমাত্মা শিব। আত্মা আহ্বান করে হে পতিত-পাবন, হে গড ফাদার। এখন ফাদার তো সেই একজনই, তাও কাকে স্মরণ করে ? আত্মা বলে ইনি আমাদের আত্মাদের ফাদার। উনি হলেন শরীরের ফাদার হ এখন বোঝানো হয় এখন আত্মাদের বাবা যিনি হলেন নিরাকার, তিনি বড় নাকি শরীরের রচয়িতা সাকার বাবা, কে বড় ? সাকার তো নিরাকারকে স্মরণ করে। এখন সবাইকে বোঝানো হয়, যখন কিনা বিনাশ সামনে উপস্থিত। পারলৌকিক পিতা আসেনই অন্তিম, সকলকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। বাকি যা কিছু আছে সে সবই বিনাশ হয়ে যাবে। একে বলাই হয় মৃত্যুলোক। যখন কেউ মারা যায় বলা হয় ‘অমুকে পরলোক গমন করেছেন, শান্তিধামে গেছেন। মানুষের জানা নেই যে, পরলোক সত্যযুগকে বলা হয় নাকি শান্তিধামকে ? সত্যযুগ তো এখানেই হয়। পরলোক, শান্তিধামকে বলা হয়। বোঝানোর জন্য খুব ভালো যুক্তি চাই। মন্দির গুলিতে গিয়ে বোঝানো উচিত। এ হল শিব বাবার স্মরণিক, যে শিব বাবা আমাদেরকে পড়াচ্ছেন । শিব বাস্তবে হলেন বিন্দু । কিন্তু বিন্দুর পূজা কীভাবে করবে ? ফুল, ফল ইত্যাদি কীভাবে চড়াবে, সেইজন্য বড় রূপরবানানো হয়েছে। এত বড রূপ আসলে হয় না। গাওয়াও হযে থাকে ভ্রুকুটির মাঝে ঝলমল করে আশ্চর্য নক্ষত্র…. বড় কিছু হলে তো সায়েন্টিস্টরা সাথে সাথে ধরে ফেলবে। বাবা বোঝান, ওঁনাকে পরমপিতা পরমাত্মার সম্পূর্ণ পরিচয় প্রাপ্ত হয়নি যে, তাদের ভাগ্য খুলবে। এখনও পর্যন্ত তাদের ভাগ্য উন্মোচিত হয় না। যতক্ষণ পর্যন্ত বাবাকে জানবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত এটা বুঝবে না যে আমাদের আত্মা হল বিন্দুর মতো। শিব বাবাও হলেন বিন্দু । আমরা বিন্দুকে স্মরণ করি। এই রকম বুঝে তবে স্মরণ করলে তখন বিকর্ম বিনাশ হবে । বাকি এটা দেখা যাচ্ছে, সেটা দেখা যাচ্ছে… একে মায়ার বিঘ্ন বলা হবে। এখন তোমাদের খুশী রয়েছে যে, আমরা পরমাত্মাকে পেয়েছি, কিন্তু জ্ঞানও তো চাই, তাই না ? কারো কৃষ্ণের সাক্ষাৎকার হয়, তাতেই খুশী হয়ে যায়। বাবা বলেন – কৃষ্ণের সাক্ষাৎকার করে আনন্দে ডান্স ইত্যাদি করতে থাকে, কিন্তু তাতে সদ্গতি হয় না। এই সাক্ষাৎকার তো অনায়াসেই হয়ে যায়। কিন্তু ভালো ভাবে পঠন-পাঠন না করলে প্রজাতে চলে যাবে। এতটুকুও যদি শোনে তবে কৃষ্ণপুরীতে গিয়ে সাধারণ প্রজা ইত্যাদি হতে পারবে। এখন বাচ্চারা তোমরা জানো যে, শিব বাবা আমাদেরকে এই নলেজ শোনাচ্ছেন । তিনি হলেনই নলেজফুল।

বাবার ফরমান হল পবিত্র অবশ্যই হতে হবে। কিন্তু কেউই পবিত্র থাকতে পারে না। কখনো কখনো পতিতও এখানে লুকিয়ে এসে বসে। তারা নিজেরই ক্ষতি করে। নিজেকেই ঠকায়। বাবাকে ঠেকিয়ে টাকা পয়সা নেবে নাকি ! শিব বাবার শ্রীমৎ অনুসরণ করে না চললে কী হাল হবে ! অনেক দন্ড ভোগ করতে হবে, দ্বিতীয়তঃ তারপর পদও ভ্রষ্ট হয়ে যাবে । নিয়ম বিরুদ্ধ কোনো কাজ করা উচিত নয়। বাবা তো বোঝাবেনই, তাই না যে – তোমার চলন ঠিক নয় । বাবা তো উপার্জন করবার রাস্তা বলে দেন, তারপরেও কেউ যদি না করে তবে সেটা তার ভাগ্য। সাজা ভোগ করে তারপর শান্তিধামে তো যেতেই হবে। পদ ভ্রষ্ট হয়ে যাবে, কিছুই পাবে না। আসে তো অনেকেই, কিন্তু এখানে হল বাবার থেকে অবিনাশী উত্তরাধিকার নেওয়ার ব্যাপার। বাচ্চারা বলে, বাবার থেকে তো আমরা স্বর্গের সূর্যবংশী রাজত্বের পদ পাবো। এটা হল রাজযোগ। স্টুডেন্ট তো স্কলারশিপও নিয়ে থাকে, তাই না ! যারা পাশ করে তারা স্কলারশিপ পেয়ে থাকে। এই মালা তাদেরকে নিয়েই বানানো যারা স্কলারশিপ নিয়েছে। যেমন যেমন যতখানি পাশ হবে, তদনুরূপ স্কলারশিপ পাবে। বৃদ্ধি পেতে পেতে হাজার হাজার সংখ্যায় হয়ে যায়। রাজত্বের পদ হল স্কলারশিপ। যারা খুব ভালো ভাবে পড়াশোনা করে, তারা গুপ্ত থাকতে পারে না। অনেক নতুন নতুনরা পুরানোদের থেকে ও এগিয়ে যাবে। হীরে তুল্য জীবন গড়ে তুলবে। নিজের সত্যিকারের উপার্জন করে ২১ জন্মের জন্য অবিনাশী উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করবে। কতখানি খুশীর কথা ! তারা জানে যে, এই বর্সা এখন না নিলে আর কখনোই নিতে পারব না। পড়ারও তো ইচ্ছা থাকতে হবে, তাই না ! কারোর তো এতটুকুও শখ থাকে না কাউকে বোঝানোর। ড্রামা অনুসারে ভাগ্যে না থাকলে ভগবানও বা কী করবেন ! আচ্ছা !

মিষ্টি – মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা – পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) কোনও কাজ শ্রীমতের বিরুদ্ধে করবে না। ভালো ভাবে পড়াশোনা করে উচ্চ ভাগ্য নির্মাণ করতে হবে। কাউকে দুঃখ দেবে না।

২ ) এই পুরানো দুনিয়ার প্রতি মোহ দূর করতে হবে। বুদ্ধি যোগ নতুন দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। খুশীতে থাকার জন্য জ্ঞানকে ধারণ করে অন্যদের ধারণ করাতে হবে।

বরদানঃ-

যেখানে লাইট থাকে সেখানে কোনও পাপ কর্ম হয় না। তাই সর্বদা লাইট হাউস স্থিতিতে স্থির হয়ে থাকলে মায়া কোনও পাপ কর্ম করাতে পারে না, সদা পুণ্য আত্মা হয়ে যাবে। পুণ্য আত্মা সংকল্পেও কোনো পাপ কর্ম করাতে পারবে না। যেখানে পাপ থাকে সেখানে বাবার স্মরণ থাকে না। তাই দৃঢ় সংকল্প করো যে, আমি পুণ্য আত্মা, পাপ আমার সামনে আসতে পারে না। স্বপ্নে বা সংকল্পেও পাপকে আসতে দেবে না।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top