07 May 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

May 6, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

“মিষ্টি বাচ্চারা - রাবণ তোমাদেরকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, এখন তোমাদের অর্থাৎ ভক্তদের রক্ষক ভগবান এসে গেছেন তোমাদের কষ্ট দূর করতে”

প্রশ্নঃ --

যেসব বাচ্চারা ফুলের মতো হচ্ছে, তাদের জন্য ভগবান এমন কোন্ শিক্ষা দিচ্ছেন যার দ্বারা তারা সর্বদা সুগন্ধিত হয়ে থাকবে ?

উত্তরঃ -:-

সুপুত্র বাচ্চারা সর্বদা মাতা-পিতাকে অনুসরণ করে সিংহাসনধারী হবে। সর্বদা পুরুষার্থে ব্যস্ত থাকবে। ২- তার হৃদয়ের সংযোগ বাবার সাথে সত্য থাকবে। সত্য হৃদয়বান সর্বদা শ্রীমত চলবে। আর যদি অন্তরে সত্যতা না থাকে তাহলে স্মরণে থাকতে পারবে না ।

গান:-

ভোলানাথের থেকে অনুপম আর কেউ নেই…

ওম্ শান্তি । মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চারা ভক্তি মার্গের এই গান শুনেছে। ভক্তরা এই গানের অর্থ জানে না। তোমরা ভগবানের সন্তান হয়েছ। ভগবান হলেন ভক্তদের রক্ষক। তোমরাও হলে ভক্তদের রক্ষক। ভক্তদের রক্ষা করো। কি এমন বিপদে পরলে ভক্তরা রক্ষা পাওয়ার জন্যে ভগবানকে আহ্বান করে? রাবণ ভক্তদের খুব দুঃখ দেয়। রাবণ সম্প্রদায় দুঃখের কারনে কষ্ট পায়। তখন ভোলানাথকে স্মরণ করে। তারা হলো রাবণ সম্প্রদায়, এটা হল রাম সম্প্রদায়। ভক্তদের এটা জানাই নেই যে আমাদের রক্ষক কে? যদিও গাইতে থাকে – ভোলানাথ হলেন রক্ষক। কিন্তু কি রক্ষা করেন, এটা জানেনা। বাচ্চারা তোমরা এখন বুঝে গেছো যে ভোলানাথ শিব বাবাই কুসংস্কারীকে শোধরাতে এসেছেন। দুনিয়াতে কারোরই এটা জানা নেই যে – ভগবান কাকে বলা যায়। ভগবানকে যদি জানে তাহলে ভগবানের রচনার আদি-মধ্য-অন্তকেও জানবে। তারা না ভগবানকে জানে, না রচনা সম্বন্ধে তাদের জ্ঞান আছে। এইজন্য এই রকম মনুষ্য সম্প্রদায়কে অন্ধও বলা যায়। দ্বিতীয় দিকে হলে তোমরা, যাদের এখন দিব্যদৃষ্টি প্রাপ্ত হয়েছে। এখন তোমাদের নামই হল – ব্রহ্মাকুমার ব্রহ্মাকুমারী। বোর্ডের উপরেও নাম লাগিয়ে দিয়েছে – ব্রহ্মাকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়। কেবলমাত্র ব্রহ্মাকুমারী হতে পারেনা। প্রজাপিতা ব্রহ্মা আছেন তাই না। পিতার কাছে বাচ্চা আর বাচ্চি (কন্যা) দুরকমই হয়। প্রজাপিতা ব্রহ্মারই এত অসংখ্য বাচ্চা হতে পারে। তাই বুঝতে হবে যে ইনি হলেন অসীম জগতের পিতা। এটাও জানে যে – ব্রহ্মা-বিষ্ণু-শংকরের রচয়িতা হলেন এক বাবা, যাকে নিরাকার বলা যায়। তিনি হয়ে গেলেন অসীম জগতের বাবা। এটাও জানো যে, পরমপিতা পরমাত্মা ব্রহ্মার দ্বারা রচনা রচিত করেন। সব রচনা এঁনারই। সকল মানুষ মাত্রই বাস্তবে হলো শিব বংশী। এখন তোমরা এসে প্রজাপিতা ব্রহ্মার সন্তান হয়েছ। এটা হল নতুন রচনা। পরমপিতা পরমাত্মা ব্রহ্মার দ্বারা রচনা রচিত করেন, তাই তোমাদেরকে ব্রহ্মাকুমার ব্রহ্মাকুমারী বলা যায়। এত অসংখ্য বাচ্চা আছে, তারা অবশ্যই অসীম জগতের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করবে। বাচ্চারা জানে যে, আমরা হলাম ব্রহ্মাকুমার ব্রহ্মাকুমারী, শিব বাবা আমাদের দত্তক নিয়েছেন। শিব বাবা বলেন যে, তোমরা হলে আমার বাচ্চা। তোমরা আত্মারাও নিরাকার ছিলে। কিন্তু জ্ঞান তো সাকারেই চাই। তোমরা জানো যে আমরা আদি সনাতন দেবী দেবতা ধর্মের ছিলাম। ব্রহ্মার দ্বারা রচনা এখানেই হয়। শিব জয়ন্তীও এখানেই পালন করা হয়। এখানে মগধ দেশেই জন্ম নিয়েছিলে। বাবা বলছেন যে – এই দেশ অত্যন্ত পবিত্র স্বর্গ ছিল। এখন একে নরক, মগধ দেশ বলা যায়। পুনরায় স্বর্গ হবে। বাচ্চারা তোমাদের বুদ্ধিতে আছে যে শিব বাবা আমাদেরকে পুনরায় রাজযোগ শিখিয়ে পবিত্র বানাচ্ছেন। গাইতেও থাকে যে – পতিতপাবন ভক্তদের রক্ষক হলেন ভগবান। ভক্তরাই আহ্বান করে। পতিত হওয়া সত্ত্বেও নিজেদেরকে পতিত মনে করে না। বাবা বোঝাচ্ছেন যে তোমরা সবাই এখন পতিত হয়ে গেছ। পবিত্র দুনিয়া সত্যযুগকে, পতিত দুনিয়া কলিযুগকে বলা যায়। বাবা তোমাদের সব সত্য কথা বলছেন। লক্ষ বছরের তো কোনও জিনিসই হয়না। মনুষ্য ঘোর অন্ধকারে আছে। মনে করে যে – কলিযুগ এখন ছোট বাচ্চা। আর তোমরা জানো যে মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে আছে। অন্ধকার আর আলোর জগৎ -এর বর্ণনা সঙ্গম যুগেই করা যায়। এখন তোমরা ঘোর প্রকাশে এসেছো। সত্যযুগে তোমরা এটা বর্ণনা করতে পারবে না। সেখানে এই জ্ঞানই থাকবেনা। এই সময় বাবা বসে বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন, তোমরা সত্য যুগে সূর্যবংশী পরিবারে ছিলে, পুনরায় অন্তে এসে শূদ্র বংশী পরিবারের হয়েছ। এখন পুনরায় ব্রাহ্মণ বংশী হয়েছ। এখন তোমরা হলে সর্বোত্তম ব্রাহ্মণ কুলের, তোমরা হলে উচ্চ থেকেও উচ্চতর। এটা হল ঈশ্বরীয় কুল তাই না। বাবার কাছে আসে তো বাবা জিজ্ঞাসা করেন – কার কাছে এসেছ? তখন বলে যে বাবার কাছে। বাবা হলেন দুটি – এক হলে লৌকিক, অন্যটি হলো পারলৌকিক। সকল শালীগ্রামের বাবা হলেন এক শিব। তোমাদের বুদ্ধিতে এটা আসতে থাকে। আমরা হলাম এক বাবার বাচ্চা, যার থেকে উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করি। নিরাকার উত্তরাধিকার তো সাকারের দ্বারাই প্রদান করবেন, তাই না! বাবা নিজে বলছেন যে – আমি সাধারণ শরীরে প্রবেশ করি। এখন বাবা বাচ্চাদেরকে বলছেন যে – বাচ্চারা দেহি-অভিমানী ভব। নিজেকে আত্মা মনে করো। এই দেহ হলো বিনাশী। আত্মা হলো অবিনাশী, আত্মাকেই ৮৪ জন্ম নিতে হয়, দেহকে নয় । দেহ পরিবর্তন হতে থাকে। পুনরায় ভিন্ন মিত্র-সম্বন্ধীদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এখন আত্মাকে অসীম জগতের বাবার থেকে উত্তরাধিকার গ্রহণ করতে হবে। পরমপিতা পরমাত্মার দ্বারা তোমরাই শুনে পুনরায় ধারণ করছো। সংস্কার তোমাদের আত্মাতেই আছে। আত্মাতেই সংস্কার থাকে। এরকম নয় যে শরীরের সংস্কার বলা যায়। না, তোমাদের আত্মার সংস্কার এখন তমোপ্রধান হয়ে গেছে। তাকে এখন পরিবর্তন করতে হবে। কায়া কল্পতরু বলা হয়। কায়া কল্প বৃক্ষের সমান হয়। আয়ুও অনেক বড় হয়। তোমরা জানো যে – এখানে তো আয়ু অত্যন্ত অল্প হয়। অল্প আয়ুতেই বসে বসে অকালে মৃত্যু হয়ে যায়। এখন তোমরা কালের উপর বিজয় প্রাপ্ত করছ। সেখানে কাল কখনও খাবেনা। অকালে কখনোই শরীর ত্যাগ হবে না। তোমরা জানো যে এখন এই শরীর বৃদ্ধ হয়ে গেছে। একে ছেড়ে নতুন নিতে হবে। শরীর ছাড়ার সময়ও বাজনা বাজতে থাকে, আবার জন্ম নেওয়ার সময় বাজনা বাজাতে থাকবে। সেখানে কান্নাকাটি করার কথাই থাকবে না। তোমাদেরকে ভ্রমরীর মত বোঝানো হয়েছে। তোমরা হলে ব্রাহ্মণ-ব্রাহ্মণী। ব্রাহ্মণী আর ভ্রমরীর রাশি একই। যে কাজ ভ্রমরী করে, সেই কাজ তোমরাও করো। আশ্চর্যের বিষয়, তাই না। ভ্রমরীর দৃষ্টান্ত, কচ্ছপের, সাপের দৃষ্টান্ত এইসব শাস্ত্রে আছে। সন্ন্যাসী প্রভৃতিরা এইরকম উদাহরণ দিয়ে থাকেন। এখন বাচ্চারা তোমরা বাবার দ্বারা এই সবকিছুই বুঝতে পারছ। সেটা তো হল ভক্তিমার্গ। অতীতের গায়ন করা, পুনরায় পরবর্তীকালে এর গায়ন হবে। এই সময়ই বাবা এঁনার এই শরীরে আসেন। এঁনাকে অর্থাৎ ব্রহ্মাকে ভগবান বলা যায়না। তাহলে তো অন্ধশ্রদ্ধা হয়ে যায়। এইরকমও মানুষ আছে যারা রামকে, কৃষ্ণকে ভগবান মনে করে। কৃষ্ণের জন্য, রামের জন্য বলে দেয় যে তারা তো হলেন সর্বব্যাপী। কেউ কৃষ্ণ পন্থী, কেউ রাধা পন্থী হয়ে থাকে। রাধে পন্থীরা বলে যে সর্বত্র রাধাই রাধা। কৃষ্ণ পন্থীরা বলবে, যেদিকেই দেখো কৃষ্ণই কৃষ্ণ। রাম পন্থীরা রামই রাম বলে থাকে। মনে করে রাম কৃষ্ণের থেকেও বড়, কেননা রামকে ত্রেতাতে আর কৃষ্ণকে দ্বাপরে নিয়ে গেছে। কতই না অজ্ঞান হয়ে গেছে। বাচ্চারা এখন বাবা তোমাদেরকে বোঝাচ্ছেন। কত অসংখ্য ব্রহ্মাকুমার ব্রহ্মাকুমারী আছে, অবশ্যই অসীম জগতের বাবাও হবেন। তোমরা যে কাউকে জিজ্ঞাসা করতে পারো যে প্রজাপিতা ব্রহ্মার নাম কি কখনো শুনেছো? বাবা স্বর্গের নতুন রচনা রচিত করছেন। গাওয়াও হয় যে ব্রহ্মার দ্বারা ব্রাহ্মণ। যতক্ষণ তোমরা সব ব্রাহ্মণ ব্রহ্মা মুখ বংশাবলি না হবে, ততক্ষণ ঠাকুর দাদার থেকে উত্তরাধিকার নিতে পারবে না। অসীম জগতের বাচ্চাদের অসীম জগতের উত্তরাধিকার বাবার থেকেই প্রাপ্ত করতে হবে। নিয়েও ছিলে প্রতিকল্পে। বরাবর স্বর্গবাসী ছিলে। এখন নরক বাসি হয়ে গেছ। এখন পুনরায় প্রজাপিতা ব্রহ্মার দ্বারা পরমপিতা পরমাত্মা স্বর্গ রচনা করছেন। কতইনা সহজ বিষয়। শিব বাবা জিজ্ঞাসা করছেন – পূর্বে তোমাদের মধ্যে এই জ্ঞান ছিল? এঁনার আত্মাই বলে যে আমার মধ্যে এই জ্ঞান ছিল না। আমিও বিষ্ণুর পূজারী ছিলাম। আমরা যারা পূজ্য ছিলাম তারাই এখন পূজারী হয়ে গেছি। এখন পুনরায় বাবা এসে পূজারী থেকে পূজ্য দেবতা তৈরি করছেন। বাচ্চারা তোমাদেরকে অন্তর থেকে খুশিতে থাকতে হবে। পরমপিতা পরমাত্মা এসে আমাদেরকে দত্তক নিয়েছেন। মানুষ মানুষকে দত্তক নেয়, তাইনা। অনেক মানুষ আছে যাদের নিজেদের কোনও বাচ্চা হয় না তাই দত্তক নেয়। এখন বাবা জানেন যে আমার বাচ্চারা সবাই রাবণের হয়ে গেছে, এই জন্য আমাকে এসে পুনরায় দত্তক নিতে হয়। ব্রহ্মার দ্বারা নিজের বাচ্চাদেরকে দত্তক নিয়েছেন। এই দত্তক নেওয়া কতই না আশ্চর্য পূর্ণ! তোমরাই জানো যে – শিব বাবা আমাদেরকে ব্রহ্মার দ্বারা দত্তক নিয়েছেন। শিব বাবা বলছেন যে- বাচ্চারা, আমি তোমাদেরকে দত্তক নিয়েছি তোমাদেরকে অসীম জগতের সুখের উত্তরাধিকার দেওয়ার জন্য। এই ব্রহ্মা তো তা দিতে পারবে না। ইনিও তো হলেন মানুষ, প্রজাপিতা ব্রহ্মা। মানুষ এই জ্ঞান দিতে পারবে না। জ্ঞানের সাগর নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মাই বসে এই জ্ঞান প্রদান করছেন। ব্রহ্মাকে অথবা বিষ্ণুকে জ্ঞানের সাগর বলা যায় না। এই তিনজনের মহিমা হল আলাদা। জ্ঞান সাগর পতিতপাবন হলেন এক বাবা। সমগ্র দুনিয়ার মানুষ মাত্রই তাঁকে আহ্বান করে। ইংরেজিতে বলা হয় তিনি হলেন লিব্রেটার অর্থাৎ মুক্তিদাতা। যার থেকে দুঃখ প্রাপ্ত হয় তার সাথে লিব্রেট অর্থাৎ মুক্ত করা হয়। বাবাও এখানে এসে রাবণের থেকে আমাদের মুক্ত করছেন। রাবণ রাজ্য এখানেই আছে। এখানেই রাবণকে জ্বালানো হয়। জ্বালিয়ে পুনরায় বলে যে সোনার লঙ্কা লুট করতে যাব। তাদের তো কিছুই জানা নেই। রাবণ কি জিনিস, কবেকার এই শত্রুতা। মনে করে রামের সীতা চুরি হয়েছিল। এটা বুঝতে পারে না যে আমরা সবাই হলাম সীতা। আমরা এখন রাবনের জেলে ফেঁসে আছি। এই জ্ঞান কারোর মধ্যে নেই। গল্পকথা বসে শোনায়। শিব বাবা বলেন যে আমি দূর দেশের অধিবাসী, এখানে এসেছি এই পরের দেশে। এটা হল পতিত দুনিয়া, পুরানো তাই না। এটা হল রাবণের দুনিয়া। আহবানও করে যে, হে বাবা এসো। আমরা পতিত হয়ে গেছি। বাবা বলছেন যে – তোমাদেরকে পবিত্র বানাতে আমাকে এই পতিত দুনিয়াতে আসতেই হয়। আর আমাকে আসতেই হয় সেই শরীরে যে প্রথম নম্বরের পবিত্র ছিল। যে সুন্দর ছিল। সে-ই এখন শ্যাম হয়ে গেছে। কতই না আশ্চর্যের বিষয়! কৃষ্ণকে শ্যামসুন্দর কেন বলা হয় এটা কারোর জানা নেই। এক কৃষ্ণকেই কি সর্পদংশন করেছিল? সত্যযুগে থোড়াই সাপ ইত্যাদি হবে। বাবা বলছেন যে, এই অন্তিম জন্ম আমার কারনে পবিত্র হও, তাহলে পবিত্র দুনিয়ার মালিক হয়ে যাবে। কেবলমাত্র আমাকে স্মরণ করো আর পবিত্র হও। অল্ফকে স্মরণ করো তাহলে বে অর্থাৎ বাদশাহী তোমাদের হয়ে যাবে। এটাই হলো সহজ রাজযোগ, সহজ রাজত্ব। বাচ্চা জন্মালেই উত্তরাধিকারী হয়ে যায়। এখানেও বাচ্চারা জানে যে আমরা বাবার হয়েছি, তাই স্বর্গের রাজত্ব আমাদের অধিকার। এখন বাবা বলছেন যে সতোপ্রধান থেকে তোমরা তমোপ্রধান হয়ে গিয়েছিলে, পুনরায় সতোপ্রধান হতে হবে। যোগ আর জ্ঞান শেখাতে এক সেকেন্ড লাগে। বাচ্চা জন্ম হওয়া আর উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা। তোমরা বাবার হয়েছে তাই রাজধানীর উত্তরাধিকার তোমাদের। কিন্তু সবাই তো আর রাজা রানী হবে না। এটা হল রাজযোগ। রাজা, রানী, প্রজা, ধনী-গরিব সবই চাই। এইজন্য রুদ্র মালা তৈরি হয়। যেটাকে ভক্তি মার্গে জপ করতে থাকে। তোমরা জানো যে আমরা এখন রাজযোগ শিখতে এসেছি। মাতা-পিতাকে অনুসরণ করে সর্বপ্রথম সূর্যবংশী, চন্দ্রবংশী হবে। সুপুতৃর বাচ্চা তারাই, যারা মাতা-পিতাকে অনুসরণ করে সিংহাসনে আসীন হবে। অনেক পুরুষার্থ করতে হবে। বাবা বলছেন যে আমাকে স্মরণ করো, বাচ্চারা করেই না, শ্রীমতে চলেই না। অন্তরে সত্যতা নেই। হৃদয় সত্য হলে তো শ্রীমতে চলতে পারবে। বাবাকে স্মরণ করতে থাকবে। শ্রীমতের আধারেই তোমাদের ঠাকুরদাদার থেকে উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয়। ব্রহ্মা স্বর্গের উত্তরাধিকার দিতে পারেনা। ঠাকুরদাদার উপার্জনের উপর নাতিদের অধিকার থাকে। বাবার উপার্জনের উপর বাচ্চারা ভাগীদার হয় তাই অধিকার থাকে। এখানে তোমাদের শিব বাবার থেকে উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয়। জ্ঞানের রত্ন বাবার দ্বারাই প্রাপ্ত হয়।

তোমরা জানো যে – আমরা ব্রাহ্মণেরাই তথা দেবী দেবতা হব। জগদম্বা কে? বাবা বোঝাচ্ছেন যে – ইনি ব্রাহ্মণী ছিলেন, জ্ঞানেশ্বরী ছিলেন পুনরায় রাজ-রাজেশ্বরী হবেন। তোমরাও এইরকম হচ্ছ। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) আত্মার মধ্যে যে তমোপ্রধানতার সংস্কার আছে, সেটা স্মরণে শক্তির দ্বারা পরিবর্তন করতে হবে। সতোপ্রধান হতে হবে।

২ ) বাবার থেকে রাজত্বের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করার জন্য সর্বদা সুপুত্র হয়ে শ্রীমতে চলতে হবে। সত্য বাবার কাছে সর্বদা সত্য থাকতে হবে। মাতা-পিতাকে সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করতে হবে। জ্ঞান রত্নের দান করতে হবে।

বরদানঃ-

সহযোগীদের সাথে সহযোগী হওয়া – এটা কোনও মহান বীরত্ব নয়, কিন্তু যেরকম বাবা অপকারীদেরও উপকার করেন এই রকম তোমরা, বাচ্চারাও বাবার সমান হও। কেউ যতই অসহযোগী হোক, তোমরা তোমাদের সহযোগের শক্তির দ্বারা অসহযোগীকে সহযোগী বানিয়ে দাও, এই রকম চিন্তা করো না যে এই কারণের দ্বারা এ উন্নতি করতে পারছে না। দুর্বলকে দুর্বল মনে করে ছেড়ে দিও না, বরং তাকে বল প্রদান করে বলবান বানাও। এই কথার উপর অ্যাটেনশন দাও, তাহলে সেবার প্ল্যান রূপী গহনার ওপর হীরে ঝলমল করবে অর্থাৎ সহজেই প্রত্যক্ষতা হয়ে যাবে।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top