15 September 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

September 14, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা এখন অমরলোকের যাত্রা পথে রয়েছ, তোমাদের হল বুদ্ধির অলৌকিক যাত্রা, যা তোমরা প্রকৃত ব্রাহ্মণরাই করতে সক্ষম"

প্রশ্নঃ --

নিজের সাথে নিজের বা নিজেদের মধ্যে কোন্ বাক্যালাপ করাই হল শুভ সন্মেলনের ?

উত্তরঃ -:-

নিজের সাথে এই বাক্যালাপ করো যে আমি আত্মা এখন এই পুরানো ছিঃছিঃ শরীর ত্যাগ করে ঘরে ফিরে যাব। এই শরীর এখন কোনো কাজের নয়, এখন বাবার সাথে ফিরে যাব। নিজেদের মধ্যে যখন মিলিত হও তখনও এই বাক্যালাপ করো যে কিভাবে সার্ভিস আরও বৃদ্ধি পাবে, সবার কল্যাণ কিভাবে হবে, সবাইকে কিভাবে পথ বলে দেওয়া সম্ভব হবে ….এই হলো শুভ সন্মেলন।

গান:-

অন্তরের আশ্রয় যেন ছিন্ন হয়ে না যায়…

ওম্ শান্তি । মিষ্টি-মিষ্টি আত্মিক বাচ্চারা, প্রত্যেক সেন্টারের ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী সর্বোত্তম ব্রাহ্মণ কুল ভূষণ নিজের বংশকে জানে, যে,যেই বংশের হয় সে নিজের কুলকে জানে। সে নীচু বংশের হোক বা উচ্চ বংশের হোক, প্রত্যেকেই নিজ কুলকে জানে আর ভাবে এর বংশ ভালো। বংশ বলো বা জাতি বলো, দুনিয়াতে তোমরা বাচ্চারা ছাড়া আর কেউ জানেনা যে ব্রাহ্মণ কুলই হলো সর্বোত্তম। প্রথম সারির কুল হলো তোমরা ব্রাহ্মণদের। ব্রাহ্মণ কুল অর্থাত্ ঈশ্বরীয় কুল। প্রথমে নিরাকার কুল তারপর আসতে হয় সাকারী সৃষ্টিতে। সূক্ষ্মবতনে কুল হয়না। সাকার সৃষ্টিতে উচ্চ থেকে উচ্চতর হল তোমাদের এই ব্রাহ্মণদের কুল। তোমরা ব্রাহ্মণরা নিজেদের মধ্যে সম্পর্কে হলে ভাই-বোন। ভাইবোন হওয়ার জন্য বিকারে যেতে পারনা। তোমরা অনুভবের দ্বারা বলতে পার পবিত্র থাকার জন্য এটা সুন্দর যুক্তি। প্রত্যেকে বলে থাকে — আমরা ব্রহ্মাকুমার-কুমারী। শিব বংশী তো সবাই যখন সাকার দুনিয়াতে আসতে হয় তখন প্রজাপিতার নাম হওয়ার কারণে ভাই-বোন সম্পর্ক হয়ে যায়। প্রজাপিতা ব্রহ্মা যখন নিশ্চয়ই রচনা করেন, তিনি দত্তক নিয়ে থাকেন। তোমরা কুখ বংশাবলী নও, মুখ বংশাবলী। সুতরাং মানুষ কুখ বংশাবলী অর্থাৎ গর্ভজাত আর মুখ বংশাবলীর অর্থ জানে না। মুখ বংশাবলী অর্থাত্ অ্যাডপ্ট করা সন্তান। কুখ বংশাবলী অর্থাত্ জন্ম গ্রহণ করে যে। তোমাদের এটা হলো অলৌকিক জন্ম। বাবাকে লৌকিক, অলৌকিক, পারলৌকিক বলা হয়ে থাকে। প্রজাপিতা ব্রহ্মাকে অলৌকিক পিতা বলা হয়। লৌকিক পিতা সবার হয়। এটা তো সহজ কথা। পারলৌকিক পিতাও সবার। ভক্তি মার্গে সবাই হে ভগবান, হে পরমপিতা বলে থাকে। কিন্তু এই পিতাকে (প্রজাপিতা ব্রহ্মা) কখনও কেউ আহ্বান করে না। এই পিতা ব্রাহ্মণ বাচ্চাদের। ঐ দুজন পিতাকে সবাই জানে। ব্রহ্মার গোঁফ দেখানো হয়েছে, কেননা ব্রহ্মা তো সূক্ষ্মবতনে। চিত্রতেও ব্রহ্মাকে দাঁড়ি গোঁফ যুক্ত দেখানো হয়েছে। কেননা প্রজাপিতা ব্রহ্মা এই সৃষ্টিতে আছেন। সূক্ষ্মবতনে তো প্রজা রচনা করতে পারবেন না। এটাও কারো বুদ্ধিতে আসেনা। এ’সব বিষয়ই বাবা বুঝিয়ে থাকেন। আত্মিক যাত্রা গায়নও আছে। রূহানী যাত্রা সেটাই,যেখান থেকে ফিরে আসতে হয় না। অন্যান্য যাত্রা তো জন্ম-জন্মান্তর ধরে করে আসছে তারপর যাত্রা শেষে ফিরেও আসে। ওটা হলো শারীরিক যাত্রা, তোমাদের হলো আত্মিক যাত্রা। এই আত্মিক যাত্রা করলে তোমাদের মৃত্যুলোকে ফিরে আসতে হয় না। বাবা তোমাদের অমরলোকের যাত্রা শিখিয়ে থাকেন। ওরা কাশ্মীর থেকে অমরলোক যাত্রায় যায়। ওটা কোনো অমরলোক নয়। অমরলোক একটাই আত্মাদের, দ্বিতীয় হলো মানুষের, যাকে স্বর্গ অথবা অমরলোক বলা যেতে পারে। আত্মাদের জন্য নির্বাণধাম। অমরলোক হলো সত্যযুগ আর মৃত্যুলোক হচ্ছে কলিযুগ আর নির্বাণ ধাম শান্তি লোক,যেখানে আত্মারা বাস করে। বাবা বলেন — তোমরা অমরপুরীর যাত্রাপথে আছ। পায়ে হেঁটে যাওয়া হচ্ছে শারীরিক যাত্রা। এটা হলো রূহানী যাত্রা, যা শেখাতে পারেন একমাত্র রূহানী বাবা আর একবারই এসে শিখিয়ে থাকেন। ঐ যাত্রা জন্ম-জন্মান্তরের বিষয়। এটা হলো মৃত্যুলোকের অন্তিম যাত্রা। এই বিষয়ে তোমরা ব্রাহ্মণ কুল ভূষণরাই জানো। রূহানী যাত্রা অর্থাত্ স্মরণে আছো। গাওয়াও হয়ে থাকে অন্ত মতি সো গতি। তোমাদের বাবার ঘরই স্মরণে আসে। বুঝেছ এখন নাটক শেষ হতে চলেছে। এই পুরানো বস্ত্র, এই শরীর। আত্মার মধ্যে খাদ সঞ্চিত হলে শরীরেও খাদ জমে। যখন আত্মা পবিত্র হয়ে ওঠে তখন শরীরও পবিত্র পাওয়া যায়। তোমরা বাচ্চারাই এটা বুঝেছ। বাইরের কেউ তা বুঝবে না। তোমরা দেখেছ কেউ-কেউ বুঝতেও পারে। আবার কারো বুদ্ধিতে এই জ্ঞান নেই। যারা বিচক্ষণ হবে অবশ্যই অন্য কাউকে বোঝাবে। মানুষ যখন যাত্রায় (তীর্থ)যায় পবিত্র থাকে। তারপর ঘরে ফিরে অপবিত্র হয়ে পড়ে। মাস দুই পবিত্র থাকে। যাত্রারও সময় আছে । সবসময়ই তো যাত্রায় যেতে পারে না শীতে বা বর্ষার সময় কেউ যেতে পারে না।

তোমাদের যাত্রায় ঠান্ডা বা গরমের কোনো ব্যাপারই থাকে না । বুদ্ধির সাহায্যে নিজেই তোমরা বুঝতে পার যে, আমরা এখন বাবার ঘরে যাচ্ছি। যত আমরা স্মরণে থাকব ততই বিকর্ম বিনাশ হবে। বাবার ঘরে গিয়ে তারপর আমরা নতুন দুনিয়াতে আসব। এসবই বাবা বসে বোঝান। এখানেও নম্বর ক্রমানুসারে বাচ্চারা রয়েছে । বাস্তবে এই রূহানী যাত্রাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয় কিন্তু মায়া ভুল করিয়ে দেয় সেইজন্য লিখেও থাকে বাবা তোমাকে স্মরণ করতে ভুলে যাই। এ’ হল স্মরণের যাত্রা-যার দ্বারা তোমরা এভার হেল্দী-ওয়েল্দী হয়ে ওঠো, এমন ওষুধকেও তোমরা ভুলে যাও । এটাও বলে থাকে বাবাকে স্মরণ করা তো কত সহজ। নিজের সাথে কথা বলতে হবে যে আমরা আত্মা প্রথমে সতোপ্রধান ছিলাম, এখন তমোপ্রধান হয়ে গেছি। শিববাবা আমাদের কত যুক্তি বলে থাকেন। কিন্তু অভ্যাস করতে হবে। চোখ বন্ধ করে বিচার করা যায় না। (বাবা অ্যাক্ট করেও দেখিয়েছেন) এভাবেই নিজের সাথে কথা বলো যে আমরা সতোপ্রধান ছিলাম, আমরাই রাজ্য করতাম। সেই দুনিয়া গোল্ডেন এজ ছিল তারপর সিলভার, কপার, আইরন এজে এসেছে। এখন আইরন এজের অন্তিম সময়, তবেই বাবা এসেছেন। বাবা আমরা আত্মাদের বলেন আমাকে স্মরণ কর আর ঘরকে স্মরণ কর। যেখান থেকে এসেছ, তবেই যেমন অন্তিম মতি তেমনই গতি প্রাপ্ত হবে। তোমাদের ওখানেই যেতে হবে। বাবা যুক্তি বলে থাকেন ভোরবেলা উঠে নিজের সাথে কথা বলো। বাবা(ব্রহ্মা) অ্যাক্ট করে দেখিয়ে থাকেন আমিও অমৃতবেলায় উঠে বিচার সাগর মন্থন করে থাকি। প্রকৃত উপার্জন করতে হবে তাইনা। ভোরের সাঁই ( ভগবান)….তাঁকে স্মরণ করলে তোমাদের নৌকা পার হয়ে যাবে। বাবা যা করেন,যেমন করেন তা বাচ্চাদেরও বুঝিয়ে থাকেন। এখানে খিটমিটের কিছুই নেই। উপার্জন করার জন্য খুব ভালো যুক্তি। ঈশ্বরকে স্মরণ করলে বাদশাহী তো পেয়েই যাবে। বাচ্চারা জানে আমরা রাজযোগ শিখছি। বাবা হলেন বীজরূপ, নলেজফুল সুতরাং আমরাও এই কল্প বৃক্ষের ঝাড়কে সম্পূর্ণ রূপে বুঝতে পেরেছি। এটা স্থূল রূপে নলেজ। কীভাবে এই ঝাড় বৃদ্ধি পায় তারপর কিভাবে এর আয়ু সম্পূর্ণ হয়। বৃক্ষের ঝাড় ঝড় তুফানে নীচে পড়ে যায়। কিন্তু এই মনুষ্য সৃষ্টির ঝাড়ের প্রথম ফাউন্ডেশন দেবী-দেবতা ধর্ম প্রায় লুপ্ত হয়ে যায়। এটাও হওয়ারই ছিল। এই ধর্ম যখন লুপ্তপ্রায় হয়ে যায় তখনই বলা হয় এক ধর্মের স্থাপনা আর অনেক ধর্মের বিনাশ। কল্পে-কল্পে এই ধর্ম লুপ্ত হয়ে যায়। আত্মার মধ্যে খাদ পড়ে গেলে অলঙ্কারেও খাদ পড়ে। বাচ্চারা বুঝেছে আমাদের মধ্যে খাদ ছিল, এখন আমরা স্বচ্ছ হচ্ছি সুতরাং অন্যদেরও পথ বলে দিতে হবে। দুনিয়া এখন তমোপ্রধান হয়ে গেছে। প্রথমে সতোপ্রধান স্বর্গ ছিল। সুতরাং বাচ্চাদের অমৃতবেলায় উঠে নিজের সাথে কথা বলা অর্থাত্ রূহরিহান করতে হবে। বিচার সাগর মন্থন করতে হবে। তারপর কাউকে বোঝাতেও হয় এই ৮৪ জন্মের চক্র সম্পর্কে। ৮৪ জন্ম কিভাবে হয়,কারা এই জন্ম গ্রহণ করে থাকে। নিশ্চয়ই প্রথমে যে আসবে সেই গ্রহণ করবে। বাবাও ভারতেই আসেন। তিনি এসে ৮৪ চক্র সম্পর্কে বুঝিয়ে থাকেন। বাবা কোথায় আসেন, এটাও কেউ জানেনা। বাবা এসে স্বয়ং নিজ পরিচয় দিয়ে থাকেন। তিনি বলেন আমি তোমাদের রাজযোগ শেখাই,মন্মনাভব। আমাকে স্মরণ করলে বিকর্ম বিনাশ হবে। এভাবে কেউ-ই বোঝাতে পারবে না। যতই গীতা ইত্যাদি শুনিয়ে থাকুক। ওখানেও মানুষ যায়। কিন্তু কখনও তো ভগবান এসেছিলেন, জ্ঞান শুনিয়েছিলেন। আবার যখন আসবেন তখনই শোনাবেন না ! ওরা তো গীতা বই খুলে বসে শোনাতে থাকে। এখানে তো ভগবান জ্ঞানের সাগর, তাঁকে হাতের মধ্যে কিছু নিয়ে পড়াতে হয়না। এনাকে কিছু শিখতে হয়না। কল্প প্রথমেও তিনি সঙ্গম যুগে এসে বাচ্চাদের শিখিয়েছিলেন। বাবাই এসে রাজযোগ শেখান। এ’হলো স্মরণের যাত্রা। তোমাদের বুদ্ধিতে আছে– ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী ছাড়া এই জ্ঞান কোনো মানুষের মধ্যেই নেই। সবার মধ্যে সর্বব্যাপীর জ্ঞান ভরা আছে। এটাও কেউ জানেনা যে পরমাত্মা বিন্দু স্বরূপ। তিনি জ্ঞানের সাগর পতিত-পাবন। শুধুমাত্র এমনই মহিমা করে থাকে। গুরুরা যা শেখায় তাকেই সত্য-সত্য করে থাকে। অর্থ তো কিছুই বোঝেনা। না তার উপর কখনও বিচার করে যে সত্যি না মিথ্যা। বাবা বুঝিয়ে থাকেন বাচ্চারা তোমাদের চলতে-ফিরতে স্মরণের যাত্রায় অবশ্যই থাকতে হবে। নয়তো বিকর্ম বিনাশ হবে না। যে কোনো কাজই করো না কেন কিন্তু বুদ্ধি যেন বাবার প্রতি থাকে।শ্রীনাথ মন্দিরে যখন ভোজন তৈরি করা হয় বুদ্ধি তো শ্রীনাথের প্রতিই থাকে তাইনা। বসে আছে মন্দিরে জানে যে আমরা শ্রীনাথের জন্যই ভোজন তৈরি করছি। ভোজন তৈরি করে ভোগ দেওয়ার পর ঘর পরিবার, বাচ্চাদের কথা স্মরণে আসবে। ওখানে ভোজন তৈরি করার সময় মুখ বন্ধ থাকে, কথা বলে না। মনসা দ্বারা কোনো বিকর্ম হয়না।ওরা শ্রীনাথের মন্দিরে বসে। এখানে তোমরা শিববাবার কাছে বসে আছ। এখানেও বাবা কত যুক্তি বলে থাকেন। বাচ্চারা কোনো বাজে কথা ব’লো না। সবসময় বাবার সাথে মিষ্টি-মিষ্টি কথা বলতে হবে। যেমন বাবা তেমনই তাঁর বাচ্চারা। বাবার স্মৃতিতে থাকে যে এই চক্র কিভাবে ঘুরছে, তবেই তিনি এসে বাচ্চাদের শুনিয়ে থাকেন। বাচ্চারা তোমরা জানো আমাদের বাবা মনুষ্য সৃষ্টির বীজরূপ, তিনি চৈতন্য। কত সহজ বিষয়। কিন্তু তবুও বুঝতে পারে না কেননা প্রস্তরবুদ্ধি হয়ে গেছে না! ঐ বীজকে আমরা চৈতন্য বলিনা। বাবা হলেন নলেজফুল, চৈতন্য। তিনি একজনই, যেখানে আরও অনেক ধরনের বীজ রয়েছে। ভগবানকে বলা হয়—মনুষ্য সৃষ্টির বীজরূপ। সুতরাং তিনি পিতা হলেন না ! আত্মাদের পিতা পরমাত্মা হলে সবাই ভাই-ভাই, বাবাও সেখানে থাকেন যেখানে তোমরা আত্মাদের নিবাস। নির্বাণ ধামে বাবা আর বাচ্চারা থাকে। এই সময় তোমরা প্রজাপিতা ব্রহ্মার সন্তানরা ভাই-বোন। বাবা ব্রহ্মা দ্বারা সৃষ্টি রচনা করেন সুতরাং ভাই-বোন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কল্পে-কল্পে এভাবেই রচনা করেন। বাচ্চাদের অ্যাডপ্ট করে থাকেন। কোনো মানুষকে প্রজাপিতা ব্রহ্মা বলা যায় না। যদিও বাবা বলে থাকে তবে সেটা হলো সীমিত, এনাকে প্রজাপিতা বলা হয় কেননা এনার অসংখ্য প্রজা অর্থাত্ অসংখ্য বাচ্চা। অসীম জগতের পিতা বসে বাচ্চাদের সব বিষয়ে বুঝিয়ে থাকেন। এই দুনিয়া সম্পূর্ণ রূপে ছিঃছিঃ হয়ে গেছে। এখন তোমাদের বাঃ বাঃ দুনিয়াতে নিয়ে যাবেন। তোমাদের মধ্যেও অনেক আছে যারা ভুলে যায়। যদি এটা স্মরণে থাকে তবে বাবাকেও স্মরণে থাকবে, আর গুরুকেও স্মরণে থাকবে, আমাদের এখন ফিরে যেতে হবে। পুরানো শরীর ত্যাগ করব কেননা এই শরীর এখন কোনো কাজে লাগবে না। আত্মা যখন পবিত্র হতে থাকে শরীরকেও পবিত্র হতে হবে। নিজেদের মধ্যে এমনই সব বাক্যালাপ করতে হবে, একেই বলা হয় — শুভ সন্মেলন, যেখানে ভালো ভালো কথা হবে। সার্ভিস কিভাবে আরও বৃদ্ধি পাবে। কিভাবে অনেকের কল্যাণ করব! ওদের হলো (লৌকিক) ছিঃ ছিঃ সন্মেলন, যেখানে শুধুই গল্প হয়। এখানে গল্পের কোনো ব্যাপার নেই। প্রকৃত সত্য সন্মেলন একেই বলে, যেখানে ঈশ্বরীয় জ্ঞান সম্পর্কে আলোচনা হয়। তোমাদের এই কাহিনী শুনিয়েছি যে এটা হলো কলিযুগ, সত্যযুগকে স্বর্গ বলা হয়। ভারত স্বর্গ ছিল, ভারতবাসীরাই ৮৪ জন্ম গ্রহণ করে থাকে। এখন অন্তিম সময়। এখন তোমরা তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান হচ্ছো। এর মধ্যে কোনো গঙ্গা স্নান ইত্যাদি করতে হয় না। ভগবানুবাচ আমি সবার পিতা। কৃষ্ণ সবার পিতা হতে পারে না। এক-দুই সন্তানের পিতা শ্রী নারায়ণ নাকি কৃষ্ণ। শ্রী কৃষ্ণ তো কুমার। প্রজাপিতা ব্রহ্মার অসংখ্য সন্তান। কোথায় কৃষ্ণ ভগবানুবাচ, কোথায় শিব ভগবানুবাচ। কত বড় ভুল হয়েছে। কোথাও প্রদর্শনী করলে প্রধান বিষয় এটাই বোঝাতে হবে যে গীতার ভগবান কৃষ্ণ নাকি শিব। সর্বপ্রথম এটাই বোঝান উচিত যে ভগবান শিবকেই বলা হয়। এটাই বুদ্ধিতে বসাতে হবে। একেই প্রমাণ করতে হবে। এর উপরে অনুসন্ধান হওয়া উচিত। গীতার ভগবানের চিত্র বড়ো এবং স্থায়ী হওয়া উচিত। এর নীচে লিখে দেওয়া উচিত যে বিচার বিশ্লেষণ করো আর এসে বুঝে যাও। তারপর লিখিয়ে নিয়ে সই করিয়ে নেওয়া উচিত। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) নিজেদের মধ্যে শুভ সন্মেলন করে সার্ভিস বৃদ্ধির জন্য প্ল্যান করতে হবে। নিজের এবং সবার কল্যাণের জন্য যুক্তি রচনা করতে হবে। কখনও কোনো ব্যর্থ কথা আলোচনা করা উচিত নয়।

২ ) ভোরবেলায় উঠে নিজের সাথে কথা বলতে হবে, বিচার সাগর মন্থন করতে হবে। ভোজন তৈরি করার সময় এক বাবার স্মরণেই থাকা উচিত। ধ্যান রাখো যাতে মনের চিন্তা বাইরে না ঘুরে বেড়ায়।

বরদানঃ-

বিনাশের সময় পেপারে উত্তীর্ণ হওয়া বা সর্ব পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য আকারী লাইট রূপধারী হও। যখন চলতে-ফিরতে লাইট হাউস হয়ে যাবে তখন এই রূপ (শরীর) দেখা যাবে না। যেমন অভিনয় করার সময় পোশাক পরিধান কর এবং পার্ট শেষ করার সাথে-সাথে পোশাক খুলে ফেলো। এক সেকেন্ডে ধারণ করো আর এক সেকেন্ডে ভিন্ন (শরীর থেকে আলাদা) হয়ে যাও— যখন এই অভ্যাস গড়ে উঠবে তখন যারা দেখবে তাদের অনুভব হবে যে লাইটের বস্ত্রধারী কেউ, লাইটই এদের অলঙ্কার।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top