22 May 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

May 21, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

“মিষ্টি বাচ্চারা - নিজের যা কিছু আছে সবকিছু ঈশ্বরীয় সেবায় সফল করে ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে নাও কারণ মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে আছে”

প্রশ্নঃ --

জ্ঞান শোনা সত্বেও বাচ্চাদের ধারণা হয় না কেন ?

উত্তরঃ -:-

কারণ বিচার সাগর মন্থন করতে পারে না। বুদ্ধিযোগ দেহ আর দেহের সম্বন্ধে আটকে থাকে। প্রথমে বুদ্ধি থেকে মোহ দূর হলে তবে কিছু ধারণা হবে। মোহ এমন একটি জিনিস, যে একেবারে বানর বানিয়ে দেয়। তাই বাবা বাচ্চাদেরকে সর্ব প্রথম প্রতিজ্ঞা স্মরণ করিয়ে দেন – দেহ সহ, দেহের সব সম্বন্ধকে ভুলে যাও আর আমাকে স্মরণ করো।

গান:-

ভোলা নাথের চেয়ে অনুপম কেউ নয় ….

ওম্ শান্তি । বাবা বসে বোঝান, এখন বাচ্চারা তো এই কথা ভালো ভাবে জানে যে অসীম জগতের পিতাকেই বলা হয় – সংশোধনকারী । কৃষ্ণ ভুলকে ঠিক করতে পারেন না। গীতার ভগবান কৃষ্ণ নয়, শিব। শিববাবা হলেন রচয়িতা এবং কৃষ্ণ হলেন রচনা। স্বর্গের উত্তরাধিকার প্রদান করেন, স্বর্গের রচয়িতাই হবেন। এই হল ভারতের মুখ্য ভুল। শ্রীকৃষ্ণকে কেউ পিতা বা বাবা বলতে পারে না। সম্পত্তির অধিকার পিতার কাছেই প্রাপ্ত হয় এবং ভারতই প্রাপ্ত করেছিল। ভারতেই শ্রী কৃষ্ণ রাজকুমার, রাজকুমারী রাধে নাম গাওয়া হয়। মহিমা উঁচু থেকে উঁচু একমাত্র বাবার। শ্রীকৃষ্ণ হলেন উঁচু থেকে উঁচু রচনা, বিশ্বের মালিক। শ্রীকৃষ্ণকে বলা হয় সূর্যবংশী দেবতা কুল। গীতা হল আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের শাস্ত্র। সত্যযুগে তো কাউকে জ্ঞান শোনানো হয় না। সঙ্গমেই বাবা এসে জ্ঞান প্রদান করেন। চিত্র দ্বারা প্রথমে এই কথা প্রমাণ করতে হবে। দু’জনের চিত্র দেওয়া হয়, গীতার ভগবান, ইনি হলেন রচয়িতা, পুনর্জন্মে আসেন না, শ্রীকৃষ্ণ নয়, কৃষ্ণ তো রচনা । তোমরা জানো – শিববাবাই হীরে তুল্য বানান। গায়নও করে – হীরে-তুল্য, কড়ি-তুল্য। বাচ্চাদের বুদ্ধিতে এই কথা থাকা উচিত যে বাবার আদেশ হল – তোমরা আমাকে স্মরণ করো এবং স্বর্গের উত্তরাধিকারকে স্মরণ করো। উনি অসীম জগতের পিতা। কৃষ্ণ তো হলেন দেহের জগতের মালিক। যদিও বিশ্বের রাজা হয়, শিববাবা তো রাজাও হন না। গীতার বাস্তবে অনেক মহিমা। সাথে ভারতেরও অনেক মহিমা আছে। ভারত হল সর্ব ধর্মের মানুষের শ্রেষ্ঠ তীর্থ। শুধুমাত্র কৃষ্ণের নাম লিখে দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ গুরুত্ব লুপ্ত হয়েছে। সেই জন্য ভারত কড়ি-তুল্য হয়েছে। যদিও সবই হল ড্রামা অনুযায়ী কিন্তু সতর্ক করতে হয়। বাবা বোঝান খুব ভালোভাবে। দিন দিন গুহ্য কথা বলেন, তাই পুরানো চিত্র বদল করে অন্য বানাতে হয়। এইসব তো শেষ পর্যন্ত চলবে। বাচ্চাদের বুদ্ধিতে ভালো ভাবে রাখা উচিত – শিববাবা আমাদের স্বর্গের অধিকার দিচ্ছেন। বাবা বলেন – মামেকম্ স্মরণ করো তাহলে বিকর্ম বিনাশ হবে। কৃষ্ণকে স্মরণ করলে বিকর্ম বিনাশ হবে না। কৃষ্ণ সর্বশক্তিমান নয়। সর্বশক্তিমান হলেন বাবা, স্বর্গের অধিকারও বাবা প্রদান করেন। মানুষ, কৃষ্ণকে স্মরণ করতে থাকে। আচ্ছা ধরো, কৃষ্ণ বলেছেন। কৃষ্ণ বলছেন – দেহের সম্বন্ধ ত্যাগ করে, মামেকম্ স্মরণ করো। আত্মা তো বাবাকে স্মরণ করবে তাইনা। কৃষ্ণ তো সর্ব আত্মাদের পিতা নয়। এইসব কথা বিচার সাগর মন্থন করে বুদ্ধিতে ধারণ করা উচিত। কেউ মোহের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ধারণ করতে পারে না। তোমরা গানও গেয়েছো – অন্য সব সঙ্গ ত্যাগ করে বাবা তোমার সঙ্গে যুক্ত থাকবো। আমার তো এক, দ্বিতীয় নয় কেউ। কিন্তু মোহ এমনই জিনিস যে বানরে পরিণত করে। বানরের লোভ আর মোহ দুই ই বেশি থাকে। ধনী ব্যক্তিদের বোঝানো হয় যে এখন মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে। এইসব ঈশ্বরীয় সেবায় লাগাও, ভবিষ্যৎ বানিয়ে নাও। কিন্তু বানর সম আটকে ধরে রাখে, ছাড়তে পারে না। বাবা বলেন – যা কিছু দেহ সহ, দেহের সম্বন্ধ আছে সব কিছু থেকে বুদ্ধি যোগ ছিন্ন করো। বাবার শ্রীমৎ অনুসারে চলো। তোমরা বলো – এই ধন, সন্তান ইত্যাদি তো সব ঈশ্বর দিয়েছেন। এখন তিনি নিজে এসেছেন, বলছেন – তোমাদের এই ধন-সম্পদ ইত্যাদি সব শেষ হয়ে যাবে। কাদের ধুলোয় মিশে যাবে …. ভূমিকম্প ইত্যাদি হবে, এইসব শেষ হয়ে যাবে। বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে বা আগুন লাগলে সবচেয়ে প্রথমে চোর ঢুকে যায়, যতক্ষণ না পুলিশ আসে। তাই বাবা বোঝান – বাচ্চারা, দেহধারীদের প্রতি মোহ ত্যাগ করা উচিত। মোহ জিত হতে হবে। দেহ-অভিমান হল সবচেয়ে প্রথম নম্বরের শত্রু। দেবতারা হলেন দেহী-অভিমানী। দেহ-অভিমান এলেই বিকার গ্রস্ত হয়। তোমরা অর্ধকল্প দেহ-অভিমানী হয়ে থাকো। এখন দেহী-অভিমানী হওয়ার প্র্যাক্টিস করতে হবে। মানুষ এইসব কথা একেবারেই জানেনা, পরমাত্মাকেও জানেনা। আত্মা কি, পরমাত্মা কি, আত্মা কত গুলি জন্ম নেয়, কীভাবে পার্ট প্লে করে, আমরা হলাম অ্যাক্টর্স – এইসব কেউ জানেনা, তাই অরফান বা অনাথ বলা হয়। তারা তো বলে দেয় আত্মা জ্যোতিতে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু আত্মা তো হল অবিনাশী। আত্মায় ৮৪ জন্মের পার্ট ভরা আছে। বলাও হয় আত্মা হল স্টার, তবুও বোঝে না। আত্মা ই পরমাত্মা বলে দেয়, বাবাকে একেবারে জানেনা। আত্মার উদ্দেশ্যে বলা হয় ভ্রুকুটির মধ্যে জ্বলজ্বল করে নক্ষত্র । পরমাত্মার উদ্দেশ্যে কিছু বলে না। তাঁকে পরম-আত্মা বলা হয়, তিনিও পরমধামে বাস করেন। তিনিও হলেন বিন্দু স্বরূপ। শুধুমাত্র পুনর্জন্ম রহিত, আত্মারা পুনর্জন্মে আসে। পরমাত্মার জন্য বলা হয় জ্ঞানের সাগর, আনন্দের সাগর, পবিত্রতার সাগর। দেবতাদের এই স্বর্গের অধিকার কে দিয়েছেন ? বাবা দিয়েছেন। সর্বগুণ সম্পন্ন, ১৬ কলা সম্পূর্ণ… এই দেবতাদের মতন এখন কেউ নেই। দেবতাদের এই স্বর্গের অধিকার কীভাবে প্রাপ্ত হয়, সে কথা কেউ জানেনা। বাবা স্বয়ং এসে বোঝান, তাঁকেই জ্ঞানের সাগর বলা হয়। এই সময় এসে জ্ঞান প্রদান করেন যা পরে লুপ্ত হয়ে যায়। তারপরে হয় ভক্তি, যাকে জ্ঞান বলা যাবে না। জ্ঞানের দ্বারা তো সদগতি হয়। যখন দুর্গতি হবে, তখন সর্বের সদগতি দাতা, জ্ঞানের সাগর আসবেন। বাবা এসে জ্ঞানের স্নান করান। তারা তো জলের স্নান করায়, যার দ্বারা সদগতি হয় না। এই সব কথা ধারণ করা উচিত। মুখ্য যে ভালো-ভালো চিত্র আছে, সেসব বড় সাইজের হওয়া উচিত যাতে যে কেউ ভালো ভাবে বুঝতে পারে। লেখাও যেন স্পষ্ট হয়। চিত্রকরদের এই সব বুদ্ধিতে রাখা দরকার। সকলকে নিমন্ত্রণ দিয়ে ডাকবে যে এসে পরমপিতা পরমাত্মার পরিচয় নাও এবং ভবিষ্যৎ ২১ জন্মের জন্য বাবার কাছে স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত কর। ভাই-বোনেরা পারলৌকিক পিতার কাছে অসীম সুখের স্বরাজ্য কীভাবে প্রাপ্ত হয় – সেসব এসে বোঝো। অসীম জগতের পিতার কাছে স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত করা শেখো, এতে ভয়ের কোনও কথা নেই। আহবান করেছ – হে পতিত-পাবন এসো। বাবাও বলেন – কাম বিকার হল মহা শত্রু। পবিত্র দুনিয়ায় যেতে হলে পবিত্র অবশ্যই হতে হবে। পতিত তাদের বলা হয় যারা বিকারের দ্বারা জন্ম নেয়। সত্যযুগ – ত্রেতায় বিষ থাকে না, তার নাম বলা হয় সম্পূর্ণ নির্বিকারী দুনিয়া। বিকারের নাম চিহ্ন নেই। তাহলে তোমরা এই প্রশ্ন কেন জিজ্ঞাসা করো – সন্তান জন্ম হবে কীভাবে ? তোমরা তো নির্বিকারী হও । সন্তানের জন্ম যেমন হওয়ার হবে। এই প্রশ্ন তোমরা জিজ্ঞাসা কর কেন ? তোমরা বাবাকে স্মরণ করো তো জন্ম-জন্মান্তরের বিকর্ম বিনাশ হয়ে যাবে, এই হল পাপ আত্মাদের দুনিয়া। ওই হল পুণ্য আত্মাদের দুনিয়া। এই কথা ভালো রীতি বুদ্ধিতে ধারণ করতে হবে। ভক্তির ফল ভগবান এসে দেন, বাবা সর্বজনের সদগতি করে স্বর্গের মালিক করেন। বাবা বলেন – এখন পবিত্র হও, মামেকম্ স্মরণ করো, এই হল মহামন্ত্র। বাবার কাছে অবশ্যই স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত হবে। বাবা বলেন – তোমরা আমাকে স্মরণ করো তো তোমরা সতোপ্রধান হয়ে যাবে। সিঁড়ির চিত্রটি বোঝাতে হবে। দিন-দিন সব কিছুরই উন্নতি হয়, এতে সব ক্লিয়ার করে লিখতে হবে। ব্রহ্মার দ্বারা আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা করা হয়। যখন আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল তখন অন্য কোনো ধর্ম ছিল না। যারা পবিত্র হবে তারা পবিত্র দুনিয়ায় আসবে। তোমাদের মধ্যে যত শক্তি ভরতে থাকবে, ততই প্রথমে আসবে। সবাই একত্রে তো আসবে না। এই কথাও জানো সত্যযুগ-ত্রেতায় দেবী-দেবতা সংখ্যায় অনেক কম থাকে, শেষের দিকে বৃদ্ধি হয়। প্রজার সংখ্যা তো অনেক হবে। বোঝানোর জন্য আত্মা রূপী বাচ্চা ভালো চাই। বলো, অসীম জগতের পিতার কাছে এসে স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত কর, যাকে আহবান করো হে বাবা, বাস্তবে তাঁর নামই হল শিব। ঈশ্বর বা প্রভু, ভগবান বললে এই কথা বোঝা যায়না যে তিনি হলেন পিতা, তাঁর কাছে স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত হবে। শিববাবা বললে অবিনাশী উত্তরাধিকার স্মরণে আসে। তাঁকে বলে শিব পরমাত্মায় নমঃ, পরমাত্মার নাম তো বলো। নাম-রূপ হীন কেউ নয়। তাঁর নাম তো শিব। শুধু শিবায় নমঃও বলবে না ।প্রতিটি শব্দ খুব ভালো রীতি ক্লিয়ার করে বোঝাতে হবে। শিবায় নমঃ বললেও বাবা সম্বোধনের আনন্দ প্রাপ্ত হয় না। মানুষ তো সব নাম নিজের উপরে রেখেছে। তোমরা জানো মানুষকে কখনও ভগবান বলা হয় না। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করকেও দেবতা বলা হয়। বাবা, রচয়িতা তিনি একমাত্র নিরাকার। যেমন লৌকিক পিতা সন্তানদের রচনা করে, সম্পত্তির অধিকার দেয়, তেমনই অসীম জগতের পিতাও স্বর্গের উত্তরাধিকার দেন। ভারতকে বিশ্বের মালিক বানান। সম্পূর্ণ দুনিয়ার পিতা একমাত্র পতিত-পাবন। এই কথা কেউ জানেনা। আমাদের ধর্ম স্থাপকও এই সময় পতিত, কবরে রয়েছে। এখন সবারই বিনাশের সময়। বাবা নিজে এসে সবাইকে জাগ্রত করবেন। বিনাশের সময়েই খোদা, ভগবান আসেন। তিনিই হলেন জ্ঞানের সাগর। লেখা আছে – সাগরের সন্তান ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছিল অর্থাৎ কাম চিতায় বসে কালো, আয়রন এজেড হয়ে গিয়েছিল, পুনরায় সুন্দর হবে কীভাবে ? বাবা বলেন স্মরণের যাত্রা দ্বারা। যোগ শব্দটি বললে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। বাবা বলেন – আমাকে স্মরণ করো তো অন্ত মতি সেই গতি হয়ে যাবে। কতখানি সহজ করে বোঝান তবুও এই কথাগুলি বুদ্ধিতে স্থির থাকে না কেন ? দেহ-অভিমান অনেক তাই ধারণা ভালো হয় না। বাবা খুব ভালো যুক্তি দিয়ে বলেন। অসীম জগতের পিতা, যাঁকে স্মরণ করা হয় তিনি এসে কি করেছেন ? ভারতকে স্বর্গ বানিয়েছিলেন। জাগতিক উত্তরাধিকার তো জন্ম-জন্মান্তর নিয়ে এসেছো। এখন অসীম জগতের পিতার কাছে ২১ জন্মের জন্য অসীম জগতের উত্তরাধিকার নাও। সত্যযুগ – ত্রেতায় দেবতারা রাজত্ব করতেন। সূর্য বংশী পরে চন্দ্রবংশী থেকে বৈশ্য বংশী, শূদ্র বংশী…. সেইসব লিখে দিলে প্রমাণিত হয় যে তারাই পুনর্জন্ম নেয়, বর্ণে আসে। বাবা তো সবাইকে বোঝান, তোমরা সম্মুখে বসে খুশী অনুভব করো। কারো ভাগ্যে না থাকলে তারা সার্ভিস করে না। সার্ভিস করলে তো সুনাম অর্জন হবে। তারা বলবে বাবার কন্যারা খুব তীব্র, সব কাজ করে। আমাদের স্বর্গের বাদশাহী দেয়, এই জিনিস পত্রও দেয়। এই চিত্র গুলি আছে – অন্ধের সামনে দর্পণ, এতে জাদু ইত্যাদির কোনও কথা নেই। পবিত্রতা হল মুখ্য। তারা বুঝতে পারে – এই হল শেষ জন্ম, স্বর্গে যেতে হলে পবিত্র তো অবশ্যই হতে হবে। বিনাশ সামনে দাঁড়িয়ে আছে। পবিত্র নিশ্চয়ই হতে হবে। সন্ন্যাসী ঘর সংসার ত্যাগ করে – পবিত্র হওয়ার জন্য। বাবা বলেন বিনাশ সামনে দাঁড়িয়ে, আমাকে স্মরণ করো তাহলে ভব সাগর পার হয়ে যাবে। আচ্ছা !

মিষ্টি – মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা – পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) বিনাশের পূর্বে নিজের সব কিছু সফল করতে হবে। এ হল বিনাশের সময়, তাই পবিত্র নিশ্চয়ই হতে হবে।

২ ) দেহধারীদের প্রতি মোহ দূর করে মোহজিৎ হতে হবে। দেহ-অভিমান হল প্রথম নম্বরের শত্রু, তার উপরে জয় লাভ করতে হবে। অন্য সব সঙ্গ ত্যাগ করে, বাবার সঙ্গে বুদ্ধি যোগ যুক্ত করে রাখতে হবে।

বরদানঃ-

বর্তমান সময়ে মনন শক্তির দ্বারা আত্মায় সর্বশক্তিকে ভরপুর করার প্রয়োজন । এর জন্য অন্তর্মুখী হয়ে প্রতিটি পয়েন্টে মনন করো, তাহলে মাখন প্রাপ্ত হবে এবং শক্তিশালী হয়ে যাবে। এমন শক্তিশালী আত্মারা অতীন্দ্রিয় সুখের প্রাপ্তির অনুভব করে, তাদের অল্পকালের কোনও বস্তু নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে পারে না। তাদের মগ্ন অবস্থার দ্বারা আত্মার যে শক্তিশালী স্থিতি তৈরি হয় তার দ্বারা বিঘ্নের ফোর্স সমাপ্ত হয়ে যায়।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top