24 July 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

July 23, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

“মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা বাবার কাছে এসেছো তোমাদের জীবনকে হীরের মতো বানাতে, বাবার স্মরণেই এমন জীবন তৈরী হবে”

প্রশ্নঃ --

নতুন দুনিয়াতে উচ্চ পদের জন্য প্রধানতঃ কোন্ পুরুষার্থটি করতে হবে ?

উত্তরঃ -:-

বাবা বলেন – মিষ্টি বাচ্চারা, যে সব পুরানো আত্মীয় পরিজনেরা তোমাদেরকে এত দুঃখ দিয়েছে, এখন তাদের মোহজাল থেকে বুদ্ধিকে মুক্ত করে কেবলমাত্র আমাকে স্মরণ করো। তাদের সাথে থাকো কিন্তু মনকে আমার প্রতি নিযুক্ত করো। মন্মনাভব’র মন্ত্র সর্বদা স্মরণে রাখো, তবেই তোমরা নতুন দুনিয়াতে উচ্চ পদ পাবে।

গান:-

তুমি রাত কাটালে ঘুমিয়ে, দিন কাটালে খেয়ে, অমূল্য এ জীবন বৃথাই কাটিয়ে দিলে…

ওম্ শান্তি । যেমন বাচ্চাদেরকে সমস্ত শাস্ত্রের সার বোঝাই, তেমনই এই সব গানের সারও তোমাদেরকে বোঝাই। তিনিই হলেন সকলের আত্মিক পিতা, আত্মিক বাচ্চাদেরকে ব্রহ্মা তনে এসে বোঝাচ্ছেন। বাবা বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন হে বাচ্চারা – তোমরা জানো যে, আমাদের হীরের মতো জন্ম তৈরী হচ্ছে। বাবার কাছে তোমরা আসোই হীরে তুল্য জীবন বানাতে। হীরের মতো বলা হয় স্বর্গবাসীদেরকে। কড়ির মতো জন্ম হল নরকবাসীদের। তোমরা সঙ্গমযুগকেও জেনে গেছো। এখন আমরা হলাম সঙ্গমযুগবাসী। এই সঙ্গমযুগ হল সকলের জন্য কল্যাণকারী। এই সঙ্গমযুগেই সকলের গতি সদ্গতি হয়। কে করেন ? পরমধাম থেকে আগত পথিক (মুসাফির)। তিনি তো পথিক, তাই না ! তোমরা পথিক নও, কারণ তোমরা এসেই চলে যাও না। বাবা বলেন – আমি পুরানো দুনিয়াতে এসে আবার ফিরে যাই। বাচ্চারা জানে যে, সেবা করেন যিনি, সেই পথিক একজনই, যিনি এসে আমাদের অর্থাৎ বাচ্চাদের অনেক বড় সেবা করেন। এইরকম সেবা আর কেউই করতে পারে না। সেবার জন্যই তাঁকে আহ্বান করে যে, আমাদের পতিতদের সেবা করো। বাবাও বলেন, আমিও বাচ্চাদের সেবার জন্য এসেছি। কারণ বাচ্চারা খুব দুঃখী। তারা ডাকেও আমাদের দুঃখ হরণ করো আর শান্তি দাও। দুটি জিনিস সব সময় মনে থাকে – সুখ আর শান্তি। এখানে দুঃখ আর অশান্তি রয়েছে, তাই তো আহ্বান করে। বাবাই এসে সমস্ত রহস্য সৃষ্টি চক্রকে বাচ্চাদেরকে বুঝিয়েছেন। বাচ্চারা বুঝতে পারে – এখন ভক্তি মার্গ সমাপ্ত হয়। কলিযুগের অন্ত অর্থাৎ ভক্তি নীচে নেমে আসতে থাকে। জ্ঞানের দ্বারা তোমাদের চড়তি কলা হয়ে যাও। তোমরা উচ্চ থেকে উচ্চ পদ পেয়ে যাও, তারপর সেই প্রালব্ধের সুখ কম হতে যেতে থাকে। যতখানি ভক্তি ভারতে হয়, ততখানি আর কোথাও হয় না। অর্ধ কল্প ভক্তি চলে। যখন থেকে দ্বাপর শুরু হয় আর অন্যান্য ধর্ম গুলি স্থাপন হওয়া শুরু হয়, তখন থেকে ভক্তি শুরু হয়। ভক্তিও প্রথমে খুব ভালো থাকে। যেমন স্বর্গ প্রথমে খুব ভালো থাকে, তারপর ধীরে ধীরে কলা কম হতে থাকে। ভক্তি শুরু হলে সবার প্রথমে শিবের পূজারী হয়। অর্ধ কল্প কোনো পূজা হয় না। তারপর ভক্তি মার্গ শুরু হয়। এতো ভক্তি আর কেউই করতে পারে না। পুরো অর্ধ কল্প ভক্তি চলে। এও বাচ্চারা তোমরা জানো যে, যিনি সকলকে প্রধানত ভারতকে প্রদান করেন, স্বর্গের মালিক বানান, সেই তিনিই দূর দেশের পথিক এসেছেন – আমাদেরকে অর্থাৎ বাচ্চাদেরকে স্বর্গের বাদশাহী দিতে। উত্তরাধিকারও কতখানি বিশাল ! কিন্তু একটি কথাও কারো বুদ্ধিতেই বসে না। ভারতে মানুষজন কতো ভক্তি করে ! কতো মন্দির রয়েছে। ভারত খন্ডে তো অনেক অনেক মন্দির রয়েছে । এখন তোমরা জানো এ কার মন্দির। প্রথম তো শিব বাবার মন্দির বানিয়ে থাকে। তারপর বানানো হয় দেবতাদের। সেই মন্দিরও তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে শিব বাবার পূজা করতে থাকে, অন্যদিকে শিব বাবা তোমাদেরকে পূজ্য বানাচ্ছেন। তোমরা এখানে এসেছ পূজ্য দেবতা হতে। যারাই দেবতাদের পুজারী রয়েছে – বাস্তবে তারাই এখানে এসে ব্রাহ্মণ হবে। ধীরে-ধীরে বৃদ্ধি হতে থাকবে। সবাই একসাথে তো পড়তে পারেনা। সময় লাগে। কল্প পূর্বে যারা পড়েছিল, তারাই পুনরায় পড়বে। একে-অপরকে পড়াতে হবে। সবাইকে বাবা আর সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তের জ্ঞান শোনাতে থাকে, যার দ্বারা মানুষ স্বর্গের মালিক হয়ে যায়। সেসব এসে বোঝো। বাচ্চারা, তোমাদের বুদ্ধিতে আছে যে এই নাটক কিভাবে আবর্তিত লাগায়। লক্ষ বছরের গল্প তো কেউ শোনাতে পারে না। তোমরা জানো যে পাঁচ হাজার বছর পূর্বে কি ছিল, কার রাজ্য ছিল! ভারতে আমাদের পূজ্য দেবী-দেবতাদের রাজ্য ছিল। স্মরণে এসেছে তাই না – আমরা পুজ্য ছিলাম, পুনরায় পূজারী হয়েছি। আগে এসব জানতাম না – আমরাই তথা পূজ্য দেবতা ছিলাম, পুনরায় আমরাই ৮৪ জন্ম নিয়েছি। লক্ষ্মী-নারায়ণের ৮৪ জন্মের কাহিনী আছে। তোমরা নিজেদের ৮৪ জন্মের কাহিনী শুনিয়ে থাকো। তাদের তো নিজেদের কাহিনী বসে লিখতে অনেক সময় লাগে। তোমরা এক মিনিটে ৮৪ জন্মের কাহিনী বলে দিতে পারো। তারা তো একজন্মের কাহিনী লেখে। ছোটবেলায় কি কি করেছে। ইনিও নিজের কাহিনী বলে থাকেন। আমি চুরাশির চক্র কিভাবে পরিক্রমা করেছি। একজনের তো কথা নয়, অনেক ব্রাহ্মণ আছে। তোমরাই এই চক্রকে জানো। এই চক্রকে জানার কারণে তোমরা রাজা রানী হয়ে যাও আর পুনরায় অন্যদেরকেও তৈরি করতে থাকো। ভক্তিও ভারতবাসীদের মতো আর অন্য কেউ করে না। আর যা কিছু মঠ পথ ধর্ম ইত্যাদি আছে, সেসব আমাদের ভক্তির সময় স্থাপন হয়। প্রথমদিকে তো আমাদের কত ছোট সুন্দর ফুলের বাগান ছিল, আধ্যাত্মিক গার্ডেন ছিল। তোমরা চৈতন্য ফুল ছিলে। একেই বলা যায় ফুলের বাগান। তারপর সেটাই কাঁটার জঙ্গলে পরিণত হয়ে যায়। এই সময়ে সবাই কাঁটা হয়ে গেছে। পুনরায় কাঁটা থেকে ফুল কিভাবে হতে হবে, সেটাও বাবা বসে বোঝাচ্ছেন। একে অপরকে দুঃখ দেওয়া মানে কাঁটা লাগানো। স্টুডেন্ট লাইফ ইজ দ্য বেস্ট বলা যায়। সেই সময়টা খুব সুন্দর হয়ে থাকে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত খুশির সাথে পড়তে থাকে। এরপর যখন বৈবাহিক জীবনে প্রবেশ করে তখন একে-অপরকে কাঁটা লাগানো শুরু করে দেয়। সত্য যুগে কেউ কাউকে কাঁটা লাগায় না। এখন তো তোমরা আবার ফুল তৈরি হচ্ছো। তোমরা জানো যে ভারত স্বর্গ ছিল, তখন কতইনা অসীম সুখ ছিল। সোনার খনি ছিল। এখন সে সব খালি হয়ে গেছে। পুনরায় তোমাদের ভরপুর সোনা প্রাপ্ত হবে। ভারতেই সোনা, হিরে, জহরতের খনি ছিল। এই সময় আমেরিকা ইত্যাদি কিছুই থাকবে না। বম্বেও থাকবে না। আশ্চর্য! তাইনা। কলিযুগের শেষে সোনার কোনও কিছুই দেখতে পাওয়া যায়না। পুনরায় সত্যযুগের আদিতে এইসব সোনার খনি ভরপুর হয়ে যাবে। সোনার মহল তৈরি হয়ে যায়। আশ্চর্যের বিষয় তাই না। সেখানকার খনি থেকে কত অধিক সোনা বেরিয়ে আসে। যেরকম এখানে মাটির ইঁট তৈরি হয়, সেইরকম সেখানে সোনার ইঁট তৈরি হয়। মায়া মচ্ছন্দরের খেলা দেখায় না ? ধ্যানে দেখে যে এখানে তো সোনা-ই সোনা। বরাবর সত্যযুগে সোনা থাকবে। এখানে তো দেখো মাটির ইঁটও পাওয়া যায় না। এখানে যত ইঁট পয়সা দিয়ে পাওয়া যায়, ততই সেখানে সোনার এইট বিনামূল্যে পাওয়া যায়। রাত-দিনের পার্থক্য আছে। তাই কেনই না পুরুষার্থ করবেনা – নতুন দুনিয়াতেও উচ্চ পদ প্রাপ্ত করার জন্য! এখানে মোহজালে কেন ফেঁসে আছো!

বাবা বলছেন, পুরানো সম্বন্ধ থেকে তোমরা কতই না দুঃখ পাও! বাবা এইরকম বলেন না যে এদেরকে ছেড়ে দাও। কেবল বুদ্ধির যোগ এক বাবার সাথে যুক্ত করো। তাহলেই তোমরা বিশ্বের মালিক হয়ে যাবে। মন্মনাভবের অর্থই হলো – আমাকে স্মরণ করো আর বিষ্ণুর চতুর্ভুজকে অর্থাৎ বিষ্ণুপুরীকে স্মরণ করো। মূল হলই একটি কথা। ভক্তি মার্গে তো অনেক পঞ্চায়েত (নানান আচার আচরণ, জটিলতা) আছে। এখন তোমরা সকল আত্মারা প্রেমিকা হলে এক প্রেমিক পরমপিতা পরমাত্মার। তিনি তোমাদেরকে সুখধামের মালিক বানান। সকল আত্মারা তাঁকে স্মরণ করে। তোমরা হলে আত্মিক প্রেমিকা, আত্মিক প্রেমিকের একবার-ই হও। বাকি তো সকল মানুষ হল দৈহিক প্রেমিক-প্রেমিকা। এখন অসীমের প্রেমিকাদের সাথে অসীম জগতের প্রেমিক এসে মিলন করেছেন। তাঁকে বলাও হয় – এসো, এসে আমাদেরকে পতিত থেকে পবিত্র বানাও। একজনকেই আহ্বান করে। তোমরা জানো যে আমাদের আত্মা পতিত হয়েছে এই জন্য আহ্বান করে যে হে পতিত-পাবন এস। কুম্ভের মেলা হয়, কতো লোক গিয়ে সেখানে গঙ্গা স্নান করে। লাভ কিছুই হয় না। পবিত্র কেউই হতে পারে না। এখন বাবা এসে জ্ঞানের বর্ষা করছেন। তোমাদের উপর জ্ঞানের বর্ষা হচ্ছে, যার দ্বারা পুনরায় কাঁটার জঙ্গল ফুলের বাগানে পরিণত হয়ে যাবে। তোমরা জানো যে আমাদের যখন রাজ্য হবে তখন সেখানে কোন পতিত থাকবেই না। সমগ্র বিশ্বের উপর জ্ঞান বর্ষা হচ্ছে। সবকিছুই সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা হয়ে যায়। হীরে জহরের খনিগুলিও নতুন হয়ে যায়। বাচ্চারা, এখন তোমাদেরকে কতই না খুশি থাকা উচিত। সম্মুখে দেখছো যে, অসীম জগতের বাবা বসে বোঝাচ্ছেন যে তোমরা আমাকে স্মরণ করো তাহলে তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে। যদিও তোমরা যেখানে খুশি বসো – স্নান করো, বুদ্ধিতে বাবার-ই স্মরন যেন থাকে। সেখানে তো স্মরণ করার সময়ই থাকবে না। বাবাকে যত স্মরণ করবে ততই উপার্জন হবে। স্মরণের দ্বারাই উপার্জন হয়। এইরকম কখনো শুনেছো কি, যে স্মরণের দ্বারা উপার্জন হয়! কত বড় উপার্জন হয়, তোমরা বিষ্ণুপুরীর মালিক হয়ে যাবে। তোমরা জানো যে আমাদের আত্মাদের বাবা হলে নিরাকার। তিনি এই শরীরের আধার নিয়েছেন। ভাগীরথেরও বর্ণনা আছে তাইনা। ভাগ্যশালী রথ, যে রথের উপর পরমপিতা পরমাত্মা সওয়ারী হয়ে থাকেন। আত্মার রথ যখন তৈরি হয় তখন আত্মা এসে তার মধ্যে প্রবেশ করে। বাবাকে তো এই রথে এসে কেবল জ্ঞান শোনাতে হয়। এঁনারও অনেক জন্মের অন্তিম জন্মে যখন বাণপ্রস্থ অবস্থা হয় তখন বাবা বলেন – আমি এসে এনার মধ্যে প্রবেশ করি বা এই রথে বিরাজমান হই। এছাড়া কোনও ঘোড়ার গাড়ির রথের কথা নেই। এখন তোমাদের এই জ্ঞান প্রাপ্ত হয়। বাবা বসে সম্মুখে বাচ্চারা তোমাদেরকে বোঝাচ্ছেন। তোমাদের তো অনেক খুশি হওয়া উচিত। আই সি এস পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে তো অনেক নেশা থাকে। সেটা হল সবথেকে বড় পরীক্ষা। এটাও হল তোমাদের পড়াশোনা। এটা হল ভগবানের পাঠশালা। এখন প্রশ্ন ওঠে ভগবান কে? শ্রীকৃষ্ণ নাকি শিব বাবা? সকলের ভগবান কে? এক নিরাকারকে ছাড়া সবাই তো কৃষ্ণকে মানবে না। সকল আত্মাদেরকে বাবা হলেন সেই নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা। তিনি সর্বদা পরমধামে থাকেন। একবারের জন্যই আসেন – বাচ্চাদেরকে স্বর্গের মালিক বানাতে। তোমরা জানো যে সেই বাবা কল্প-কল্প এসে আমাদেরকে ভিক্ষুক থেকে রাজকুমার তৈরি করেন। ভারত এখন ভিখারী হয়ে গেছে তাইনা! পুনরায় দ্বিতীয় জন্মে কি হতে হবে, তোমাদের সবই সাক্ষাৎকার হয়েছে। বিনাশেরও সাক্ষাৎকার করেছ। স্থাপনারও সাক্ষাৎকার করেছ। ভগবানুবাচ – আমি তোমাদেরকে রাজাদেরও রাজা তৈরি করি। অনেক দান-পূণ্য করে কেউ অল্পকালের সুখ প্রাপ্ত করে। রাজার কাছে জন্ম নিয় সঙ্গে সঙ্গেই মারা যায়। কেউ আবার গর্ভেই মারা যায়। কেউ বিকলাঙ্গ বা কেউ অন্ধ হয়েও জন্ম নেয়। যে রকম কর্ম করে সেই রকমই পদ প্রাপ্ত হয়। এখন তোমাদেরকে তো রাজাদেরও রাজা বানাচ্ছেন। তোমরা বল যে – বাবা আমরা সমর্পিত হয়ে যাব। তাহলে অবশ্যই তোমরাই রাজত্ব প্রাপ্ত করবে। ভারতকে মহাদানী খন্ড বলা যায়। এখানে দান পূণ্য অনেকেই করে। সেইসব শুরু হয় ভক্তি মার্গে। এখন বাবা তোমাদেরকে ২১ জন্মের জন্য দান করছেন। এখন তোমরা বাবার উপর সমর্পিত হয়ে যাও। তন, মন, ধন সবকিছুই দিয়ে দিয়েছো। এখন বাবা বলছেন – যে নিমিত্ত হয়ে থাকো। নিজের ঘরবাড়ি দেখাশোনা কর। এইসব কিছুই হল শিব বাবার। আমিও তোমার, তোমাকেই স্মরণ করি। হৃদয় থেকে সমর্পিত করে দেয়। বাবা বলেন যে, তোমরা যদিও মহলে থাকো, ঘোরা-ফেরা করো, আনন্দ থাকো, কেবল আমাকে স্মরণ করো তাহলেই তোমরা অনেক খুশিতে থাকবে। তোমরা বিশ্বের মালিক ছিলে। এখন পুনরায় তোমরা পুরুষার্থ করে সেসব তৈরি হচ্ছ। বাবা বোঝাচ্ছেন যে – মিষ্টি-মিষ্টি বাচ্চারা এই যোগবলের দ্বারাই তোমরা বিকর্মাজিত হবে। বাবার স্মরণের দ্বারাই তোমরা বিশ্বের মালিক হয়ে যাও। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) রাজপদ প্রাপ্ত করার জন্য বাবার উপর সম্পূর্ণ সমর্পিত হয়ে যেতে হবে। তন-মন-ধন সব সমর্পণ করে ট্রাস্টি হয়ে থাকতে হবে। বিকর্মাজিত হওয়ার জন্য পুরুষার্থ করতে হবে।

২ ) স্মরণের দ্বারাই উপার্জন হয়, এই জন্য নিরন্তর স্মরণে থাকার পুরুষার্থ করতে হবে। এমন আত্মিক ফুল হতে হবে যে ফুলের দুনিয়ার অধিকারী হয়ে যাবে। অন্তরে কোনো কাঁটা যেন না থাকে।

বরদানঃ-

ত্রিকালদর্শী স্থিতিতে স্থিত হয়ে প্রত্যেক সংকল্প, প্রত্যেক কর্ম করো আর প্রত্যেক কথাকে দেখো। এটা কেন, এটা কি – এই প্রশ্নবোধক চিহ্ন যেন না থাকে, সর্বদা ফুলস্টপ। নাথিং নিউ। প্রত্যেক আত্মার পার্টকে ভালোভাবে জেনে তারপর অভিনয়ে এসো। আত্মাদের সম্বন্ধে-সম্পর্কে এসে প্রিয় এবং পৃথকত্বের সমতা যদি থাকে তাহলে চঞ্চলতা সমাপ্ত হয়ে যাবে। সর্বদা এই রকম অচল আর সাক্ষী থাকা, এটাই হলো নম্বর ওয়ান ভাগ্যবান আত্মার লক্ষণ।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top