25 November 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

November 24, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

"মিষ্টি বাচ্চারা - নিজের ভাগ্যকে উঁচু বানানোর জন্য আধ্যাত্মিক সেবার শখ রাখো, সবাইকে জ্ঞান ধনের দান করতে থাকো"

প্রশ্নঃ --

আত্মিক পিতা এমন কোন্ শ্রীমৎ দেন যা আজ পর্যন্ত কোনো মানুষ দেয়নি ?

উত্তরঃ -:-

হে আত্মিক বাচ্চারা, তোমরা আধ্যাত্মিক সেবায় দধীচি ঋষির মতো অস্থি প্রদান করো। বাবার থেকে যে অবিনাশী জ্ঞান রত্ন প্রাপ্ত করেছো, তা দান করতে থাকো। এটাই হলো প্রকৃত সেবা। এইরকম সেবা করার নির্দেশ কোনো মানুষ দিতে পারে না। যারা আধ্যাত্মিক সেবা করবে, খুশিতে নাচতে থাকবে। তাদের ভাগ্য উন্নীত হতে থাকবে।

গান:-

এই দুনিয়ার পরিবর্তন হয়ে যাবে…

ওম্ শান্তি। বাচ্চারা গানের দু’কলি শুনলো। ওরা তো গান বানিয়েছে। যেমন কারো বিয়ে হলে এটা তো নিশ্চিত যে, স্ত্রী-পুরুষ কখনো একে অপরকে ছেড়ে যাবে না। খুব কমই এরকম হয় যে, নিজেদের মধ্যে মিল না হলে একে অপরকে ছেড়ে চলে যায়। তোমরা বাচ্চারা এখানে কার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা করো ? ঈশ্বরের সঙ্গে, যাঁর সাথে বাচ্চারা তোমাদের অর্থাৎ সজনীদের বিয়ে হয়েছে। এমনকি যিনি বিশ্বের মালিক বানান, তাঁকেও ছেড়ে দেয়। এখানে তোমরা বাচ্চারা বসে আছো। তোমরা জানো, এখন অসীমের (বেহদের) বাপদাদা আসছেন। এখানে তোমাদের যেরকম অবস্থা থাকে, সেন্টারে এরকম হতে পারে না। এখানে তোমরা মনে করো, বাপদাদা আসছেন। সেন্টারে মনে করো, বাবার শোনানো মুরলী আসছে। এখানে আর ওখানের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে, কারণ এখানে অসীমের বাপদাদার সম্মুখে তোমরা বসে আছো। ওখানে তোমরা সম্মুখে থাকো না। তোমরা সম্মুখে এসে মুরলী শুনতে চাও। এখানে বাচ্চাদের বুদ্ধিতে এসেছে যে, বাবা আসছেন। যেরকম অন্যান্য সৎসঙ্গে হয়, ওখানে মনে করে অমুক স্বামীজি আসবেন। কিন্তু এমন ভাবনাও সবার একরকম থাকে না। কারও সম্বন্ধ স্মরণে আসে। বুদ্ধি এক গুরুর সঙ্গেও স্থির থাকে না। খুব কমই কেউ থাকে, যারা গুরুর স্মরণে বসে থাকে। এখানেও তাই। এমন নয় যে, সবাই শিববাবার স্মরণে আছে। বুদ্ধি ছুটতে থাকে। আত্মীয় পরিজন স্মরণে আসে। সর্বদা একমাত্র শিববাবার সম্মুখে থাকা তো অনেক সৌভাগ্য। খুব কমই কেউ স্থায়ীভাবে স্মরণে থাকে। এখানে শিববাবার সম্মুখে থাকলে তো অনেক খুশি থাকা উচিত। অতীন্দ্রিয় সুখের কথা গোপী বল্লভের গোপ গোপীদের জিজ্ঞাসা করো। এটা এই সময়েরই গায়ন রয়েছে। এখানে তোমরা বাবার স্মরণে বসে আছো। তোমরা জানো এখন আমরা ঈশ্বরের হয়েছি, এরপর দৈবী কোলে যাবো। যদিও কারো বুদ্ধিতে সার্ভিসের ভাবনা চলতে থাকে। এই চিত্রে কারেকশন করে, এইভাবে লেখো। যদি ভালো বাচ্চা হয় তাহলে বুঝবে যে, এখন বাবার থেকেই শুনবো, অন্য কোনো সংকল্প আসতে দেবে না। বাবা জ্ঞান রত্নের দ্বারা ঝুলি ভরপুর করতে এসেছেন। সুতরাং বুদ্ধিযোগ বাবার সঙ্গেই যুক্ত করতে হবে। ক্রম অনুসারেই তো ধারণ করে। কেউ ভালোভাবে ধারণ করে, কেউ কম ধারণ করে। বুদ্ধির যোগ অন্যদিকে ছুটতে থাকলে ধারণা হবে না। কাঁচা থেকে যাবে। এক-দু বার মুরলী শুনলে যদি ধারণা না হয় তাহলে অভ্যাস দৃঢ় হয়ে যাবে। তারপর যতবারই শুনতে থাকো, ধারণা হবে না। কাউকে শোনাতে পারবে না। যার ধারণা হবে সার্ভিসের শখ থাকবে, প্রচুর উৎসাহ হবে এই ধন দান করার জন্য। কারণ এই ধন এক বাবা ব্যতীত আর কারও কাছে নেই। বাবা এটাও জানেন, সবার ধারণা হতে পারে না। সবাই একই উঁচু পদ প্রাপ্ত করতে পারে না, এইজন্য বুদ্ধি অন্যদিকে ছুটতে থাকে। ভবিষ্যৎ ভাগ্য ততটা উন্নত হতে পারে না। কেউ কেউ স্থূল সেবায় নিজের অস্থি প্রদান করে, সবাইকে খুশি করে। যেমন ভোজন রান্না করা, খাবার পরিবেশন এটাও তো সাবজেক্ট তাই না ! যাদের সার্ভিসের শখ থাকবে তারা মুখে কিছু না বলে থাকতে পারবে না। বাবা দেখেনও যে, কোনো দেহ-অভিমান নেই তো। বড়দের রিগার্ড রাখে কিনা। বড় মহারথীদের রিগার্ড তো রাখতে হয়। হ্যাঁ, ছোট কেউও অনেক হুঁশিয়ার হয়ে যায়, তাই হতে পারে বড়দের তার রিগার্ড রাখতে হয় কারণ তার বুদ্ধি খুব তাড়াতাড়ি ধারণ করতে পারে । সার্ভিসের উৎসাহ দেখে বাবা তো খুশি হবেন তাই না, এ ভালো সার্ভিস করবে। সারাদিন প্রদর্শনীতে বোঝানোরও প্র্যাক্টিস করা উচিত। অনেক প্রজাও তৈরি হবে তাই না ! লক্ষ প্রজা দরকার। আর তো কোনো উপায় নেই। সূর্যবংশী, চন্দ্রবংশী, রাজা-রানী, প্রজা সবকিছু এখানেই তৈরি হবে। প্রচুর সার্ভিস করা উচিত ! বাচ্চাদের বুদ্ধিতে আছে, এখন আমরা ব্রাহ্মণ হয়েছি। ঘর-পরিবারে থাকলে প্রত্যেকের অবস্থা এক একরকম থাকে, তাই না ! ঘর-পরিবার তো পরিত্যাগ করতে হবে না। বাবা বলেন ঘর গৃহস্থে থাকো, কিন্তু বুদ্ধিতে নিশ্চয় থাকা উচিত যে এই পুরানো দুনিয়া ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন আমাদের বাবার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এটাও জানো, কল্প পূর্বে যারা এই জ্ঞান গ্রহণ করেছিল, তারাই আবার গ্রহণ করবে। প্রতিটি সেকেন্ড হুবহু রিপিট হচ্ছে। আত্মার মধ্যে জ্ঞান রয়েছে না ! বাবারও জ্ঞান রয়েছে। বাচ্চারা, তোমাদের বাবার মতো হতে হবে, পয়েন্ট ধারণ করতে হবে। সমস্ত পয়েন্ট একসঙ্গে বোঝানো হয় না। দৃঢ় লক্ষ্য রাখতে হবে। বিনাশও সামনে রয়েছে। এটা সেই একই বিনাশ। সত্যযুগ, ত্রেতাযুগে কোনো যুদ্ধ ইত্যাদি হয় না। পরে যখন অনেক ধর্ম হয়ে যায়, লস্কর ইত্যাদি বৃদ্ধি হয় তখন যুদ্ধ শুরু হয়। প্রথমে আত্মারা সতোপ্রধান অবস্থায় নেমে আসে, তারপর সতো, রজো, তমো-তে আসে। এ’সব বুদ্ধিতে রাখতে হবে। কীভাবে রাজত্ব স্থাপন হচ্ছে ? এখানে বসে আছো, তাই এ’সব বুদ্ধিতে রাখতে হবে। শিববাবা এসে আমাদের খাজানা দেন, যা বুদ্ধিতে ধারণ করতে হবে। ভালো-ভালো বাচ্চারা নোট নেয়, নোট নেওয়া ভালো, তাহলে বুদ্ধিতে টপিক আসবে। আজ এই টপিকের ওপর বোঝাবো। বাবা বলেন, আমি তোমাদের কত খাজানা দিয়েছিলাম। সত্য-ত্রেতাযুগে তোমাদের কাছে প্রচুর ধন-সম্পদ ছিল, তারপর বাম মার্গে যাওয়ার পর কমতে থাকলো। খুশিও কম হতে থাকলো। কিছু না কিছু বিকর্ম করতে শুরু করো। নামতে নামতে কলা (ডিগ্রী) কম হতে থাকে। সতোপ্রধান পর্যায়ে সতো, রজো, তমো-র স্টেজ হয় না ! সতো থেকে রজো-তে আসো, এমন নয় যে হঠাৎ করে এসে যাও। তমোপ্রধান পর্যায়েও ধীরে ধীরে নামতে থাকো, এর মধ্যেও সতো, রজো, তমো-র স্টেজ আছে। হঠাৎ করে তমোপ্রধান হবে না। ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকো। কলা কম হতে থাকে। এখন লাফ দিতে হবে। তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান হতে হবে, এর জন্য অল্প সময় বাকি রয়েছে। গায়নও রয়েছে ‘চড়তে পারলে বৈকুণ্ঠ রসের স্বাদ পাবে আর পড়ে গেলেই চুরচুর’। কামের চড় লাগলে একেবারে চুরচুর হয়ে যায়। হাড়গোড় ভেঙে যায়, যেমন কোনো মানুষ নিজের জীবন হত্যা করে। আত্মহত্যা নয়, জীবন হত্যা বলা হয়। তেমনি এটাও আত্মার হত্যা হয়ে যায়। জমানো উপার্জন সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়। এখানে তো বাবার থেকে উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করতে হবে, বাবাকে স্মরণ করতে হবে কারণ বাবার থেকে বাদশাহী প্রাপ্ত হয়। নিজেকে প্রশ্ন করো যে, আমি বাবাকে স্মরণ করে ভবিষ্যতের জন্য কত উপার্জন জমা করেছি ? কতজন অন্ধের লাঠি হয়েছি ? ঘরে-ঘরে বার্তা দিতে হবে যে, এই পুরানো দুনিয়া পরিবর্তন হচ্ছে। বাবা নতুন দুনিয়ার জন্য রাজযোগ শেখাচ্ছেন। সিঁড়ির চিত্রে দেখানো হয়েছে, এটা সৃষ্টি করতে পরিশ্রম লাগে। সারাদিন ভাবনা চলতে থাকে যে, খুব সহজে কীভাবে তৈরি করা যায় যাতে যে কেউ বুঝে যায়। সারা দুনিয়া তো আর আসবে না। দেবী-দেবতা ধর্মের যারা, তারা’ই আসবে। তোমাদের সার্ভিস তো প্রচুর চলবে। তোমরা জানো, আমাদের ক্লাস কতক্ষণ চলবে ! ওরা তো কল্পের আয়ু লক্ষ বছর মনে করে। তাই তারা শাস্ত্র ইত্যাদি শোনাতে থাকে। ওরা মনে করে যখন অন্তিম সময় আসবে তখন সকলের সদগতি দাতা আসবেন। তারপর আমাদের যারা শিষ্য রয়েছে তাদেরও গতি হয়ে যাবে। তারপর আমরাও গিয়ে জ্যোতিতে সমাহিত হয়ে যাবো, কিন্তু এরকম তো নয়। তোমরা জানো, আমরা অমর বাবার দ্বারা সত্যিকারের অমরকথা শুনছি। সুতরাং অমর বাবা যা বলেন তা পালন করাও উচিত। তিনি কেবল বলেন, আমাকে স্মরণ করো এবং পবিত্র হও। নাহলে অনেক দন্ড ভোগ করতে হবে, পদও অনেক কম প্রাপ্ত হবে। সার্ভিসে পরিশ্রম করতে হবে। যেমন দধীচি ঋষির উদাহরণ রয়েছে, সেবায় অস্থিও প্রদান করেছিলেন। নিজের শরীরের কথাও না খেয়াল করে সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে, একেই বলা হয় সেবাতে অস্থি বিসর্জন। এক হলো শরীরের অস্থি সেবা, আর এক হলো আত্মিক অস্থি সেবা। যারা আত্মিক সেবা করে, তারা কেবল আত্মিক নলেজ শোনাতে থাকবে। তারা জ্ঞান ধনের দান করে খুশিতে নাচতে থাকবে। দুনিয়াতে লোকেরা যে সার্ভিস করে তা হলো শারীরিক সেবা। তারা বসে শাস্ত্র শোনায়, এটা কোনও আত্মিক সেবা নয়। আত্মিক সেবা একমাত্র বাবা-ই শেখান। আধ্যাত্মিক পিতা-ই এসে আত্মারূপী বাচ্চাদের পড়ান। তোমরা এখন প্রস্তুতি করছো – নতুন দুনিয়া সত্যযুগে যাওয়ার জন্য। ওখানে তোমাদের কোনো বিকর্ম হয় না। ওটা হলো রামরাজ্য। ওখানে মাত্র কিছুজন থাকে, সেই কিছুজনই এসে অধ্যয়ন করবে। এখন রাবণের রাজ্যে সবাই তো দুঃখী, তাই না ! এই সমস্ত নলেজ তোমাদের বুদ্ধিতে আছে, পুরুষার্থের ক্রম অনুসারে। এই সিঁড়ির চিত্রেই সমস্ত নলেজ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এই চিত্র তৈরির জন্য যন্ত্রপাতি দরকার। গভর্মেন্টের প্রতিদিন কত সংবাদপত্র ছাপা হয়। কত কারবার চলতে থাকে। এখানে তো সবকিছু হাত দিয়ে করতে হবে। বাবা বলেন – এই অন্তিম জন্মে পবিত্র হও তাহলে পবিত্র দুনিয়ার মালিক হয়ে যাবে। এই নলেজ কারও কাছে নেই। কেউ বলে, এই সিঁড়ির চিত্রে অন্য ধর্ম সম্পর্কে সমাচার কোথায় ? এটাও এই গোলার (সৃষ্টিচক্র) চিত্রে রয়েছে। ওরা তো নতুন দুনিয়ায় আসে না। ওরা শান্তি প্রাপ্ত করে। ভারতবাসীরাই স্বর্গে ছিল তাই না ! ভারতেই বাবা রাজযোগ শেখাতে আসেন, এইজন্য সবাই ভারতের প্রাচীন রাজযোগ পছন্দ করে। এই চিত্রের দ্বারা তারা নিজেরাই বুঝতে পারবে, বরাবর নতুন দুনিয়াতে কেবল ভারতই ছিল। তারা নিজেদের ধর্মকেও বুঝতে পারবে। যেমন ক্রাইস্টও ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে এসেছিলেন। এই সময়ে তিনিও ভিক্ষুক রূপে আছেন, সকলেই তমোপ্রধান। রচয়িতা এবং রচনার এই নলেজ কত বিশাল ! তোমরা বলতে পারো যে, আমাদের কারও টাকাপয়সার প্রয়োজন নেই। টাকাপয়সা আমরা কী করব ! তোমরা এটা শোনো এবং অন্যদের শোনানোর জন্য চিত্র ইত্যাদি ছাপাও। এই চিত্র দেখিয়েই কাজ করতে হবে। এমন পরিবেশ তৈরি করো যেখানে এই জ্ঞান শোনানো যেতে পারে। এছাড়া আমরা টাকাপয়সা নিয়ে কী করব। তোমাদেরই ঘরের কল্যাণ হবে। তোমরা কেবল ব্যবস্থা করো, অনেকে এসে শুনবে। রচনা এবং রচয়িতার নলেজ তো অনেক ভালো। এটা তো মানুষকেই বুঝতে হবে, বিদেশের লোকেরা এই নলেজ শুনে খুব পছন্দ করবে, অনেক খুশি হবে। ওরা বুঝবে, আমরাও বাবার সঙ্গে যোগযুক্ত হলে বিকর্ম বিনাশ হয়ে যাবে। সবাইকে বাবার পরিচয় দিতে হবে। তারা বুঝতে পারবে, এই নলেজ গড ফাদার ছাড়া আর কেউ দিতে পারবে না। তারা বলে যে, খোদা বহিস্ত (স্বর্গ) স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু তিনি কীভাবে আসেন, এটা কেউ জানে না। তোমাদের কথা শুনে অনেকে খুশি হবে। তারপর পুরুষার্থ করে যোগ শিখবে। তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান হওয়ার জন্যও পুরুষার্থ করবে। সার্ভিসের জন্য তো অনেক ধারণা করা উচিত। ভারতে দক্ষতা দেখালে তবেই বাইরে পাঠাবেন। মানুষ জানতে পারবে, নতুন দুনিয়া সৃষ্টি হতে কি আর বেশি সময় লাগে ! কোথাও ভূমিকম্প ইত্যাদি হলে দু-তিন বছরের মধ্যে নতুন বিল্ডিং তৈরি হয়ে যায়। যত বেশি কারিগর থাকবে তত তাড়াতাড়ি বিল্ডিং তৈরি হয়ে যাবে। এক মাসের মধ্যেও বিল্ডিং তৈরি হতে পারে। কারিগর, উপাদান ইত্যাদি প্রস্তুত থাকলে তৈরি হতে কি আর সময় লাগে ! বিদেশে কীভাবে বিল্ডিং তৈরি হয় – মিনিট মোটর। সুতরাং স্বর্গে কত তাড়াতাড়ি তৈরি হবে। তোমরা অনেক সোনা, রূপো প্রাপ্ত করবে। তারা খনি থেকে সোনা, রূপো, হিরে ইত্যাদি নিয়ে আসে। তারা এখন সেই সমস্ত দক্ষতা শিখছে। সায়েন্সের এখন অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এই সায়েন্স ওখানেও কাজে লাগবে। এখানে যারা শিখছে, তারা অন্য জন্ম নিয়ে ওখানে এই কাজ করবে। ওই সময়ে তো সম্পূর্ণ নতুন দুনিয়া হয়ে যায়, রাবণ রাজ্যই সমাপ্ত হয়ে যায়। ৫ তত্ত্বও নিয়ম মতো সেবায় নিয়োজিত থাকে। এটা স্বর্গ হয়ে যায়। ওখানে কোনও দুর্যোগ হয় না। রাবণ রাজ্যই নেই, ওখানে সবাই সতোপ্রধান। সবথেকে ভালো কথা হচ্ছে বাবার প্রতি অনেক ভালোবাসা থাকা উচিত। বাবা যে সম্পদ দান করেন, তা ধারণ করে অন্যদেরও দান করতে হবে। যত দান করবে তত একত্রিত হবে। সার্ভিস না করলে ধারণা কী করে হবে। বুদ্ধি সার্ভিসের প্রতি থাকা উচিত। এই সেবা তো অনেক প্রকারের হতে পারে। কেউ না কেউ করবে। দিনে-দিনে উন্নতি করতে হবে। তোমাদের নিজেরও উন্নতি করতে হবে।

আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) নিজেদের মধ্যে একে অপরের প্রতি রিগার্ড রাখা উচিত। সার্ভিসের প্রচুর শখ থাকা উচিত। জ্ঞান রত্নের দ্বারা নিজের ঝুলি ভরপুর করে অন্যদেরও দান করতে হবে।

২ ) কেবল বাবার থেকেই শোনার সংকল্প রাখা উচিত। অন্য চিন্তাভাবনায় বুদ্ধি যাওয়া উচিত নয়।

বরদানঃ-

যেমন শারীরিক হাত-পা একদম সহজ রীতিতে যেখানে চাও ব্যবহার করো অথবা কর্মে ব্যবহার করো, তেমনই সংকল্প এবং বুদ্ধিকে যেখানে যুক্ত করতে চাও, যুক্ত করতে পারবে – এ’কেই বলা হয় ঈশ্বরীয় অথারিটি। যেরকম শব্দের মধ্যে আসা খুব সহজ, সেরকম শব্দের বাইরে যাওয়াও এ’রকম সহজ হতে হবে, এই অভ্যাসের দ্বারাই সাক্ষাৎকার করতে সক্ষম হবে। সুতরাং এখন এই অভ্যাসকে সহজ এবং নিরন্তর করো তবেই বলা হবে মাস্টার সর্বশক্তিমান।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top