26 August 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

August 25, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

“মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা গ্যারান্টি ক'রো যে আমরা নিজেদের যোগবলের দ্বারা এই ভারতকে স্বর্গ বানাবো, সেখানে একটি ধর্ম, একটি রাজ্য হবে”

প্রশ্নঃ --

মায়ার কোন্ বিঘ্ন থেকে সেফ থাকলে খুব ভালো সার্ভিস করতে পারবে ?

উত্তরঃ -:-

মায়ার সবচেয়ে বড় বিঘ্ন হল – দেহবোধের দ্বারা একে অপরের নাম রূপে আটকে যাওয়া। যে বাচ্চারা এই বিঘ্ন থেকে সেফ থাকে, মায়ার ধোঁকা থেকে সুরক্ষিত থাকে, তারা অনেক ভালো সার্ভিস করে দেখায়। তাদের বুদ্ধিতে সার্ভিসের নতুন নতুন চিন্তন চলতে থাকে। সার্ভিসে উন্নতি তখন হবে যখন দেহী-অভিমানী হবে।

ওম্ শান্তি । বাবা এসেছেন আত্মা রূপী বাচ্চাদের শ্রীমৎ প্রদান করতে। এই কথা তো বাচ্চারা জানে যে, একটু সময়ের মধ্যে ড্রামা প্ল্যান অনুসারে সমস্ত কাজ পূর্ণ হবে। আমরা রাবণপুরীকে বিষ্ণুপুরী বানাই। এখন বাবা হলেন গুপ্ত তাই পড়াশোনাও হল গুপ্ত। সেন্টার তো অনেক আছে। ছোট বড় গ্রামে সেন্টার আছে এবং বাচ্চাদের সংখ্যাও আছে অনেক। দিন দিন যা বৃদ্ধি পেতে থাকবে। লিটরেচারেও লেখা হয় যে, আমরা এই ভারত ভূমিকে স্বর্গ অবশ্যই বানাবো। এই ভারত ভূমি তো তোমাদের খুবই প্রিয় কারণ তোমরা জানো যে, এই ভারত স্বর্গ ছিল। যা ৫ হাজার বছর হয়েছে। ভারত অতীব সৌন্দর্যময় ছিল। তোমরা ব্রহ্মা মুখ বংশী বাচ্চাদেরই এই নলেজ আছে। এই ভারতকে শ্রীমতের দ্বারা স্বর্গ বানাতে হবে। সবাইকে পথ বলে দিতে হবে, এখানে আর কোনো কষ্টের ব্যাপার নেই। নিজেদের মধ্যে বসে পরামর্শ করা উচিত যে, এই চিত্রের দ্বারা এমন কি বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায় যাতে খবরের কাগজে এই ছবি দেওয়া যায়। নিজেদের মধ্যে এই বিষয়ে সেমিনার করা উচিত। যেমন ওই গভর্নমেন্টের লোকেরা নিজেদের মধ্যে মিলিত হয়, পরামর্শ করে যে, ভারতের বিকাশ কীভাবে করা যায়। এই যে এতো মত বিভেদ হয়েছে, সেসব নিজেদের মধ্যে ঠিকঠাক করে ভারতে কীভাবে সুখ-শান্তির স্থাপনা করা যায়। ঠিক তেমনভাবে তোমরাও হলে রূহানী পাণ্ডব গভর্মেন্ট, এ হল বিশাল ঈশ্বরীয় গভর্নমেন্ট। পতিত-পাবন বাবা পতিত সন্তানদের পবিত্র করে পবিত্র দুনিয়ার মালিক বানান। এই রহস্য তোমরা বাচ্চারা জানো। মুখ্য হলই ভারতের আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম। এ হল রুদ্র জ্ঞান যজ্ঞ। রুদ্র বলা হয় শিববাবাকে। এখন স্বয়ং বাবা এসে তোমাদেরকে জাগ্রত করেছেন, তোমাদেরকে এবার অন্যদের জাগিয়ে তুলতে হবে। ড্রামা প্ল্যান অনুযায়ী তোমরা জাগ্রত কর। এখনও পর্যন্ত যারা যেমনভাবে পুরুষার্থ করেছে, ততটাই কল্প পূর্বেও করেছিল। তোমাদের এই হল রূহানী ( আত্মিক) যুদ্ধ। কখনও মায়ার জোর বেড়ে যায়, কখনও ঈশ্বরের। কখনো আবার সার্ভিস তীব্র বেগে এগিয়ে চলে, কখনো কোনো বাচ্চার মায়ার বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। মায়া একদম জ্ঞান শূন্য করে দেয়। যুদ্ধের ময়দান তাইনা। মায়া, রামের সন্তানকে জ্ঞানশূন্য বা অজ্ঞান করে দেয়। লব-কুশের কাহিনী আছে না ! রামের দুই সন্তান দেখানো হয়েছে। এখানে তো বাবার অসংখ্য সন্তান আছে। এই সময় সব মানুষ কুম্ভকর্ণের নিদ্রায় নিদ্রিত। তারা এই কথা জানেনা যে, পরমপিতা পরমাত্মা এসেছেন – বাচ্চাদেরকে স্বর্গ প্রদান করতে। বাবা ভারতেই আসেন। এই কথা একেবারে ভুলে গেছে। ভারতবাসীই স্বর্গের মালিক ছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। পরমপিতা পরমাত্মার জন্মও এখানেই হয় তাই তো শিব জয়ন্তী ভারতে পালন করা হয়। অর্থাৎ বাবা এসে অবশ্যই কিছু করেছিলেন তাইনা। বুদ্ধি বলে যে, নিশ্চয়ই বাবা এসে স্বর্গের স্থাপনা করেছেন অনুপ্রেরণা দ্বারা তো করবেন না। এখানে তো বাচ্চারা তোমাদেরকে রাজযোগ শেখানো হয়, স্মরণের যাত্রা শেখানো হয়। প্রেরণায় কোনো আওয়াজ থাকে না। মানুষ ভাবে শঙ্কর প্রেরণার দ্বারা বিনাশ করেন, কিন্তু এতে প্রেরণার কোনো কথা নেই। তোমরা বুঝেছো যে, ড্রামাতে তাদের পার্টই হল – মিসাইল তৈরি করা। তারা হল বিনাশের কার্যে নিমিত্ত। প্রেরণা হল শাস্ত্রে লেখা শব্দ, এতে প্রেরণার কোনো কথা নেই। ড্রামা অনুযায়ী বিনাশ তো হতেই হবে। গায়নও আছে মহাভারতের যুদ্ধে এই মিসাইল ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল, যা কিছু পাস্ট হয়ে গেছে সেসব পুনরায় রিপিট হবে। তোমরা গ্যারান্টি করো যে, আমরা যোগবলের দ্বারা স্বর্গের স্থাপনা করবো, সেখানে একটি ধর্ম থাকবে। তাহলে অন্য ধর্ম গুলি কোথায় যাবে ? অবশ্যই বিনাশ হয়ে যাবে। এইসব কথা বুঝতে হবে। গায়ন আছে – ব্রহ্মার দ্বারা স্থাপনা, বিষ্ণুর দ্বারা পালন, এই কথা তো ঠিক। কিন্তু শঙ্করকে তো শিবের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছে। সেটা ঠিক নয় । তারা শিব-শঙ্কর বলে দেয়, কারণ শঙ্কর তো কোনো কাজ করেন না তাই শিবের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছে। কিন্তু শিববাবা বলেন – আমাকে তো অনেক কাজ করতে হয়। সবাইকে পবিত্র করতে হয়। আমি এই ব্রহ্মার দেহে প্রবেশ করে এই সাকার দেহের দ্বারা স্থাপনার কাজ করি। শঙ্করের তো কোনো পার্ট নেই। শিবের পূজা হয়। শিবই হলেন কল্যাণকারী, ঝুলি ভরপুর করে দেন। শিব পরমাত্মায় নমঃ বলা হয় তাইনা। এই ব্রহ্মাও হলেন প্রজাপিতা। ব্রহ্মা হলেন বিষ্ণু, বিষ্ণুই হলেন ব্রহ্মা এই কথাটির অর্থ খুবই গূঢ়। এ’কথা শুধু তোমরা বাচ্চারাই জানো। সেন্সিবল বাচ্চাদের বুদ্ধিতে জ্ঞান ধারণ খুব শীঘ্র হয়ে যায়। মানুষ তো কিছু জানেনা যে, পতিত-পাবন বাবা কবে আসবেন! এখন তো কলিযুগের অন্ত। যদি বলা হয় যে, কলিযুগের অন্ত হতে এখনও ৪০ হাজার বছর বাকি আছে, তাহলে আরও কতখানি পতিত হবে এখনও ? আরও কত দুঃখ সহ্য করবে ? কলিযুগে সুখ তো হয় না। কিছুই জানা নেই বলে দীন হীন মানুষ ঘোর অন্ধকারে বাস করছে।

বাচ্চারা, তোমাদের নিজেদের মধ্যে মিলিত হয়ে পরামর্শ করা উচিত যে, সার্ভিস কীভাবে বৃদ্ধি পাবে । বাবা প্ল্যান তো বলেন এখন বাচ্চাদেরকে নিজেদের মধ্যে মিলিত হতে হবে। চিত্রের দ্বারা ভালোভাবে বোঝাতে হবে।ড্রামা অনুযায়ী চিত্র তৈরি হচ্ছে। বাচ্চারা জানে যে, সময় যেমন পার হয়ে যাচ্ছে, হুবহু ড্রামা চলতে থাকছে। বাচ্চাদের অবস্থা তো কখনও উপরে, কখনও নীচে, এইরকম চলতে থাকবে। বাবাও সাক্ষী হয়ে দেখেন। কখনও বাচ্চাদের উপরে গ্রহণের দশা লাগে তখন সেই গ্রহণ দূর করার পুরুষার্থ করান। বাবা ক্ষণে ক্ষণে বলেন বাবাকে স্মরণ করো। কিন্তু দেহ অভিমানে এসে দুঃখ পায়, এতে দেহী-অভিমানী হতে হবে। কিন্তু বাচ্চাদের মধ্যে দেহ বোধের ভান অনেক আছে। তোমরা দেহী-অভিমানী হও তবে বাবার স্মরণে থাকতে পারবে তখন সার্ভিসে উন্নতিও হবে। যারা উঁচু পদ প্রাপ্ত করবে, তারা সর্বদা সার্ভিসে ব্যস্ত থাকবে। ভাগ্যে যদি না থাকে তবে কোনো চেষ্টাও করবে না। তারা নিজেরাই বলে বাবা আমাদের ধারণা হয় না। জ্ঞান বুদ্ধিতে বসে না। ধারণা যদি না হয় তবে খুশীর অনুভূতিও হবে না। যাদের ধারণ হয় তাদের খুশীও থাকে। তারা বুঝতে পারে শিববাবা এসেছেন। বাবা বলেন – বাচ্চারা তোমরা ভালো ভাবে বুঝে তারপরে অন্যদেরকে বোঝাও। কেউ তো সার্ভিসে ব্যস্ত হয়। পুরুষার্থ করতে থাকে। তোমরা বাচ্চারা জানো যে, যে সেকেন্ড গুলি পার হচ্ছে সেসব ড্রামাতে নির্দিষ্ট আছে পুনরায় সেইসবই রিপিট হয়। বাচ্চাদেরকেই বোঝানো হয় যে, বাইরে ভাষণ করার সময়ে তো অনেক রকমের মানুষ আসে, তোমরা বাচ্চারা জানো যে, সবাই বেদ, শাস্ত্র, গীতা ইত্যাদি নিয়ে ভাষণ করে, তাদের এই জ্ঞান তো নেই যে, এখানে ঈশ্বর নিজের এবং এই রচনার আদি-মধ্য-অন্তের রহস্য বোঝাচ্ছেন। চিত্রে কতো ভালোভাবে দেখানো হয়েছে যে, পরমাত্মা কে! এই কথা প্রজেক্টর দিয়ে বোঝানো যাবে না। প্রদর্শনীতে চিত্র সামনে থাকে তখন তোমরা বুঝিয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারো যে, এখন বলো গীতার ভগবান কে? জ্ঞানের সাগর কে? পবিত্রতা-সুখ-শান্তির সাগর, লিবারেটর গাইড কে? কৃষ্ণের জন্য তো বলা হবে না। পরমাত্মার মহিমা আলাদা। প্রথমে লেখানো উচিত, প্রোব নেওয়া উচিত (সার্ভে করা উচিত) । সবার সিগনেচারও নেওয়া উচিত।

(হল ঘরে পাখিরা ঝগড়া করছে) এই সময় সম্পূর্ণ দুনিয়ায় লড়াই ঝগড়া হচ্ছে। সবাই নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে। ৫-টি বিকার মানুষেরই গায়ন করা হয়। পশুদের জন্য তো বলা হয় না। পাপের দুনিয়া ও পবিত্র দুনিয়া মানুষের জন্য গায়ন করা হয়। কলিযুগ হল আসুরিক সম্প্রদায়, সত্যযুগে আছে দৈব সম্প্রদায়। মানুষ এতই তমোপ্রধান বুদ্ধিধারী হয়েছে যে একেবারেই বুঝতে পারে না যে, আমরাই আসুরিক সম্প্রদায়। দেবতাদের সম্মুখে দাঁড়িয়ে গানও করে আমরা নীচ, পাপী, আমি নির্গুণ (গুণহীন) আমার কোনো গুণ নেই। তোমরা তো তাদের প্রমাণ করে বলতে পারো। সিঁড়ির চিত্রে সবই ক্লিয়ার আছে। দেখানো হয়েছে যে, কীভাবে উত্তরণ কলা হয় তারপরে অবতরণ কলা হয়। ভারতবাসীদের জন্য মুখ্য হল সিঁড়ির চিত্র। এই হল সবচেয়ে ভালো জিনিস। এই চিত্রের উপরে খুব ভালো ভাবে বোঝাতে পারো। ৮৪ জন্ম পূর্ণ করে পুনরায় প্রথম নম্বরে জন্ম নিতে হবে তারপরে অবরোহন কলা থেকে উত্তরণ কলায় যেতে হয়। প্রত্যেকের চিন্তন করা উচিত যে সবাইকে কীভাবে পথ বলে দেওয়া যায়। চিন্তন না করলে সার্ভিস করবে কীভাবে। চিত্রের দ্বারা বোঝানো খুব সহজ হয় । সত্যযুগের পরে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামতেই হয়। বাচ্চারা জানে যে, এখন আমরা ট্রান্সফার হচ্ছি। কিন্তু ডাইরেক্ট সত্যযুগে যাই না। প্রথমে শান্তিধাম যেতে হবে। তোমরা জানো আমরা হলাম পার্টধারী ( কুশীলব)। যদিও তোমাদের মধ্যেও নম্বর অনুসারে আছে যারা নিজেদেরকে পার্টধারী নিশ্চয় করে – এই ড্রামার। দুনিয়ায় এমন কেউ বলতে পারেনা যে, আমরা পার্টধারী। আমরা যদিও লিখি যে, প্রত্যেকটি মানুষ এই অসীম জগতের ড্রামার অভিনয় কর্তা হওয়া সত্ত্বেও ড্রামার মুখ্য অভিনেতা, ডাইরেক্টর এবং ড্রামার আদি-মধ্য-অন্তকে জানেনা, সুতরাং তারা হল বোধহীন। এই কথাটি লিখতে কোনও অসুবিধে নেই। এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত। সার্ভিস, সার্ভিস কেবল সার্ভিস। বাবা জানেন যে, কখনও বাচ্চাদের উপরে গ্রহণের দশা লেগে যায়। যখন গ্রহণ লাগে তখন অনেক ক্ষতি হয়ে যায়, সে কথা বাবা জানেন। ধনী মানুষ গরিব হয়ে যায়। কারণ তো কিছু থাকে তাইনা। অনেককে বাবা বোঝাতেও থাকেন – বাচ্চারা, নাম-রূপে কখনও ফাঁসবে না। নাহলে মায়া এমন যে, নাক দিয়ে ধরে গর্তে ফেলে দেবে। মায়া খুব ধোঁকা দেবে। প্রেমিক প্রেমিকা এখানে হবে না। কোনো প্রেমিক প্রেমিকা বিকারের জন্য সম্পর্ক গড়ে, অন্যরা শুধুমাত্র রূপের মোহে প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। তোমরা জানো সেন্টারেও এমন মায়ার বিঘ্ন সৃষ্টি হতেই থাকে, একে অপরের নাম-রূপে আটকে যায়। পুরুষার্থ করতে করতে মায়া এমন ধরে তাই বাবা সাবধান বাণী দেন যে, বাচ্চারা মায়া কিন্তু খুব চেষ্টা করবে আটকাবার, কিন্তু তোমরা জড়িয়ে পড়বে না। দেহবোধের অভিমানে আসা উচিত নয়। নিজেকে আত্মা নিশ্চয় করে বাবাকে স্মরণ করতে হবে। মায়ার ধোঁকা থেকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। বাচ্চারা, বাবা তোমাদেরকে সুন্দর ফুল বানাতে এসেছেন, কোনো কথায় তোমাদের সংশয়ান্বিত হওয়া উচিত নয়। যদি হৃদয়ে সংশয় আসে তাহলে ভালোভাবে সার্ভিস করতে পারবেনা। অন্তরে চিন্তা চলতেই থাকবে। সাহস থাকা উচিত। সময় খুব কম। বাবার মুরলী শুনলে উৎসাহ অনুভব হবে। আত্মপ্রকাশ (ভাই, বাবার সন্তান) ভালো ভাবেই চিত্রের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। বম্বের মানুষজনের বুদ্ধিতেও আসা চাই । মুখ্য চিত্র গুলি প্রথমে বানানো দরকার। পরীক্ষণ করা উচিত, বাবা নির্দেশ দিচ্ছেন যে চিত্রগুলির কীভাবে উন্নতি হওয়া যায়। এমন কোনো যুক্তি খোঁজো যাতে সিঁড়ির চিত্রটিকে বিমান বন্দরে রাখা যায়। এই চিত্র দেখে সবাই খুশি হবে। তখন ভাববে এদেরকে কে মতামত দিচ্ছে। তাই বাচ্চাদের খুব নেশায় মেতে থাকা উচিত। আচ্ছা!

মিষ্টি – মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা – পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) তোমরা বাচ্চারা এখন যুদ্ধের ময়দানে আছো, মায়া রাবণের সঙ্গে তোমাদের এই যুদ্ধ। মায়া খুব বিঘ্ন সৃষ্টি করে। বাচ্চাদেরকে অনেক সতর্ক থাকা উচিত।

২ ) প্রত্যেককে নিজের উন্নতির চিন্তা করতে হবে। চিত্রের দ্বারা কীভাবে বোঝাব, সার্ভিস কীভাবে বৃদ্ধি হবে। চিত্রে আরও এমন কি কি যোগ করা যায় যাতে মানুষ সহজে বুঝতে পারে।

বরদানঃ-

যোগ্য শিক্ষক তাকে বলা হয় যে নিজের শিক্ষা স্বরূপের দ্বারা শিক্ষা প্রদান করে। তাদের স্বরূপই শিক্ষা সম্পন্ন হবে। তাদের দেখার দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণও শিক্ষা প্রদান করবে। যেমন সাকার রূপে প্রতিটি কদমে প্রতিটি কর্ম শিক্ষকের রূপে প্রাক্টিক্যালে দেখেছো, যাকে চরিত্র বলা হয়। কাউকে বাণীর দ্বারা শিক্ষা দেওয়া তো সাধারণ কথার দ্বারা। সকলে অনুভব চায়। তাই নিজের শ্রেষ্ঠ কর্ম, শ্রেষ্ঠ সংকল্পের শক্তির দ্বারা অনুভব করাও।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top