26 September 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

September 25, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

"সর্বশ্রেষ্ঠ নক্ষত্র - 'সফলতার নক্ষত্র"

আজ জ্ঞান-সূর্য, জ্ঞান চন্দ্রমা নিজের অলৌকিক তারামন্ডলকে দেখছেন। এ’ হলো বিচিত্র তারামন্ডল যার বিশেষত্ব শুধু বাবা আর ব্রাহ্মণ বাচ্চারাই জানে। প্রত্যেক নক্ষত্র নিজস্ব রশ্মি দ্বারা এই বিশ্বকে আলো দিচ্ছে। বাপদাদা প্রত্যেক নক্ষত্রের বিশেষত্ব দেখছেন। কেউ কেউ শ্রেষ্ঠ ভাগ্যবান লাকি নক্ষত্র, কেউ বাবার কাছাকাছি থাকা নক্ষত্র আর কেউ কেউ দূরের নক্ষত্র। নক্ষত্র সবাই, কিন্তু বিশেষত্ব ভিন্ন-ভিন্ন হওয়ার কারণে সেবাতে অথবা স্ব-প্রাপ্তিতে আলাদা আলাদা ফলের প্রাপ্তি অনুভব করে। কেউ সদাই সহজ নক্ষত্র, সেইজন্য সহজ প্রাপ্তির ফল অনুভব করে। আর কোনো কোনো নক্ষত্র আছে যাদের পরিশ্রম করতে হয়, হয়তো বা পরিশ্রম অল্পই, অথবা হয়তো বেশি, কিন্তু তাদের অনেক পরিশ্রম অনুভবের পরে তারা ফলের প্রাপ্তির অনুভব করে। কেউ কেউ কর্মের আগে থেকেই সদা অধিকারের অনুভব করে – সফলতা জন্মসিদ্ধ অধিকার, সেইজন্য ‘নিশ্চয়’ আর ‘নেশা’র সাথে কর্ম করার কারণে কর্মের সফলতা সহজে অনুভব করে। একে বলা হয়ে থাকে সফলতার নক্ষত্র।

সফলতার সর্বাধিক শ্রেষ্ঠ নক্ষত্র, কারণ তারা সদা জ্ঞান-সূর্য, জ্ঞান-চন্দ্রমার কাছে আছে, সেইজন্য শক্তিশালীও আর সফলতার অধিকারীও। যদিও কেউ কেউ শক্তিশালী কিন্তু সদা শক্তিশালী নয়, সেইজন্য তাদের দীপ্তি সদা একরকম হয় না। ভ্যারাইটি নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা অতিশয় সুন্দর। সব নক্ষত্র সেবা করে, কিন্তু কাছের নক্ষত্ররা অন্যদেরও সূর্য, চন্দ্রমার কাছে নিয়ে আসার জন্য সেবাধারী হয়। সুতরাং প্রত্যেকে নিজেকে জিজ্ঞাসা কর আমি কোন ধরনের নক্ষত্র ? আমি কি লাভলি নক্ষত্র, লাকি, সদা শক্তিশালী, পরিশ্রম অনুভব কর নাকি সদা সহজ সফলতার নক্ষত্র ? জ্ঞান-সূর্য বাবা সব নক্ষত্রকে অসীম জগতের আলো আর শক্তি দেন, কিন্তু কেউ কাছে, কেউ দূরের হওয়ার কারণে তারতম্য হয়ে যায়। যত কাছের সম্বন্ধ, আলো আর শক্তি ততই বিশেষ, কেননা কাছের নক্ষত্রদের লক্ষ্যই হলো সমান হওয়া।

সেইজন্য বাপদাদা সব নক্ষত্রকে সদা এই সঙ্কেত দেন – লাকি আর লাভলি তো সবাই হয়েছ, এখন নিজেকে সামনে এ’ভাবেই দেখ যে তুমি সদা কাছে আছ, সহজ সফলতা অনুভব করে কতখানি সফলতার নক্ষত্র হয়েছ ? এখন ঝরে পড়া উল্কা তো তুমি নও বা ধূমকেতুও (পুচ্ছ বিশিষ্ট) নও। পুচ্ছ বিশিষ্ট নক্ষত্র তাকে বলা হয়, যে বারবার নিজের কাছে বা বাবার কাছে বা নিমিত্ত হওয়া আত্মাদের কাছে ‘এটা কেন’, ‘এটা কি’, ‘এটা কীভাবে’ – জিজ্ঞাসা করতেই থাকে। বারবার যারা জিজ্ঞাসা করে তারাই পুচ্ছ বিশিষ্ট নক্ষত্র (তাদের প্রতিটা প্রশ্ন একেকটা পুচ্ছ তথা লেজুড়)। এ’রকম তো তোমরা নও, তাই না ? সফলতার নক্ষত্র, যাদের সব কর্মে সফলতা সমাহিত হয়ে আছে – সে’রকম নক্ষত্ররা সদাই বাবার সমীপ অর্থাৎ তারা বাবার সাথে আছে। তোমরা বিশেষত্ব শুনেছ, এখন এই বিশেষত্ব নিজের মধ্যে ধারণ করে সদা সফলতার নক্ষত্র হও। বুঝেছ , কি হতে হবে ? লাকি আর লাভলি হওয়ার সাথে সফলতা – এই শ্রেষ্ঠত্ব সদা অনুভব করতে থাক। আচ্ছা !

আজ বাবা তোমাদের সবার সাথে মিলিত হবেন। বাপদাদা আজ বিশেষভাবে এসেছেন তোমাদের সাথে মিলনের জন্য। তোমাদের সকলের বাবার সাথে মিলনের লক্ষ্য থাকে। কিন্তু বাচ্চাদের মধ্যে ওঠা তরঙ্গ দেখে সব বাচ্চাকে বাবার খুশি করতে হয়, কারণ বাচ্চাদের খুশিতে বাবার খুশি। আজ আলাদাভাবে মিলিত হওয়ার তরঙ্গ। সেইজন্য সাগরকেও সেই তরঙ্গে আসতে হয়। এই সিজনের তরঙ্গ এটাই, তাইতো রথকেও বিশেষ সকাশ দিয়ে চালাচ্ছেন। আচ্ছা !

চারিদিকের অলৌকিক তারামন্ডলের অলৌকিক নক্ষত্রদের, সদা বিশ্বকে আলো দিয়ে অন্ধকার সরিয়ে দেওয়া ঝলমলে নক্ষত্রদের, সদা বাবার কাছে থাকা সফলতার শ্রেষ্ঠ নক্ষত্রদের, অনেক আত্মার ভাগ্যের রেখা পরিবর্তন করা সেই ভাগ্যবান নক্ষত্রদের, জ্ঞান-সূর্য, জ্ঞান-চন্দ্রমা বাপদাদার বিশেষ স্মরণ-স্নেহ আর নমস্কার।

পার্সোনাল সাক্ষাৎ:-

১) ‘সদা সব আত্মাকে সুখ প্ৰদানকারী সুখদাতা বাবার বাচ্চা’ – নিজেদের এ’রকম অনুভব কর ? সবাইকে সুখ দেওয়ার বিশেষত্ব তোমাদের আছে, তাই না ! এই বিশেষত্বও ড্রামা অনুসারে তোমাদের প্রাপ্ত হয়েছে। এই বিশেষত্ব সবার হয় না। যে সবাইকে সুখ দেয়, সকলের আশীর্বাদ তার প্রাপ্ত হয়। সেইজন্য নিজেকেও সদা সুখে অনুভব করে। এই বিশেষত্বের দ্বারা বর্তমানও ভালই আর ভবিষ্যতও ভালো হয়ে যাবে। কতো ভালো পার্ট যাতে সবার ভালোবাসাও পাওয়া যায়, সবার আশীর্বাদও পাওয়া যায়। একে বলে, ‘এক দেওয়া হাজার পাওয়া।’ সুতরাং সেবার দ্বারা সবাইকে সুখ দেওয়ার কারণে, তোমরা সবার ভালোবাসা লাভ কর। এই বিশেষত্ব সদা কায়েম রেখ।

২) ‘সদা নিজেদের সর্বশক্তিমান বাবার শক্তিশালী আত্মা’ – এই রকম অনুভব কর তোমরা ? শক্তিশালী আত্মা সদা নিজেও সন্তুষ্ট থাকে আর অন্যদেরও সন্তুষ্ট করে। তোমরা কি এতখানি শক্তিশালী ? সন্তুষ্টতাই উদারতা। শক্তিশালী আত্মা অর্থাৎ সন্তুষ্টতার ভাণ্ডারে পরিপূর্ণ আত্মা। এই স্মৃতি দ্বারা সদা এগিয়ে চলো। এই ভান্ডারই সবাইকে পরিপূর্ণ করে।

৩) ‘বাবা সারা বিশ্ব থেকে বাছাই করে আমাদের তাঁর আপন করে নিয়েছেন’ – এই খুশি তো থাকে, তাই না ! এত অগণিত আত্মার মধ্যে থেকে আমি এক আত্মাকে আপন করেছেন, কারণ পূর্ব কল্পে আমিই ভাগ্যবান আত্মা ছিলাম, এখনো আছি আর আবারও হব – এমনই ভাগ্যবান আত্মা আমি। এই স্মৃতিতে সদা অগ্রচালিত হতে থাক।

৪) ‘সদা নিশ্চিন্ত হয়ে সেবা করার বল সদা অগ্রচালিত করতে থাকে’।

এ’ করেছে বা আমি করেছি – এ’রকম সঙ্কল্প থেকে তোমরা যখন নিশ্চিন্ত থাক তখন নিশ্চিতরূপে সেবা হয় এবং তার বল সদা তোমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়। তোমরা তো নিশ্চিন্ত সেবাধারী, তাই না ? তোমরা তোমাদের সেবা গুন্তি কর’ না। একে বলে নিশ্চিন্ত সেবা। সুতরাং যে নিশ্চিন্ত হয়ে সেবা করে, নিশ্চিতরূপে অগ্রচালিত হওয়ায় তার সহজ অনুভূতি হয়। এই বিশেষত্ব বরদান রূপে তোমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকবে।

৫) সেবাও অনেক আত্মাকে বাবার স্নেহী বানানোর সাধন হয়েছে। যদিও দেখে মনে হয় শুধুই কর্মণা কিন্তু কর্মণার মাধ্যমে সেবা, কর্মণা সেবা মুখের সেবা থেকেও অধিক ফল দিচ্ছে। কর্মণা দ্বারা যখন কারও মন্সা পরিবর্তন করার সেবা কর তখন সেই সেবার ফল ‘বিশেষ খুশি’ প্রাপ্তি হয়। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হয় কর্মণা সেবা স্থূল কিন্তু বৃত্তিকে সূক্ষ্মভাবে পরিবর্তন করে। সুতরাং এ’রকম সেবার আমি নিমিত্ত – এই খুশিতে এগিয়ে চলো। যারা ভাষণ দেয় তারা ভাষণ কর’, কিন্তু কর্মণা সেবাও ভাষণ করার সেবা থেকে অধিক কারণ এর প্রত্যক্ষ ফল অনুভব হয়।

৬) ‘সদা পুণ্যের খাতা সঞ্চয়কারী আমি শ্রেষ্ঠ আত্মা’ – এ’রকম অনুভব হয় ? এই সেবা নামে সেবা কিন্তু পুণ্যের খাতা জমা করার সাধন। তাহলে পুণ্যের খাতা সদা পরিপূর্ণ আছে আর ভবিষ্যতেও পরিপূর্ণ থাকবে। যত সেবা কর’ ততই পুণ্যের খাতা বাড়তে থাকে। সেইজন্য পুণ্যের খাতা অবিনাশী হয়ে গেছে। এই পুণ্য অনেক জন্ম তোমাদের পরিপূর্ণ করে রাখবে। সুতরাং তোমরা পুণ্য আত্মা আর সদাই পুন্যাত্মা হয়ে অন্যদেরও পুণ্যের রাস্তা দেখাও। পুণ্যের এই খাতা অনেক জন্ম তোমাদের সাথে থাকবে, অনেক জন্ম সম্পদশালী (মালামাল) থাকবে

– এই খুশিতে সদা এগিয়ে চলো।

৭) ‘সদা এক বাবার স্মরণে থাকা, একরস স্থিতির অনুভবকারী আমি শ্রেষ্ঠ আত্মা’ – এ’রকম অনুভব কর ? যেখানে এক বাবা স্মরণে থাকে, সেখানে আপনা থেকেই সহজভাবে একরস স্থিতি অনুভব হবে। সুতরাং একরস স্থিতি শ্রেষ্ঠ স্থিতি। একরস স্থিতির অনুভবকারী আমি শ্রেষ্ঠ আত্মা – এই স্মৃতি সদাই এগিয়ে নিয়ে যাবে। এই স্থিতি দ্বারা অনেক শক্তি অনুভূত হতে থাকবে।

৮) বাপদাদার তোমরা বিশেষ অলঙ্কার, তাই না ! সর্বাধিক শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার মস্তকমনি। মনি সদা মস্তকে ঝলমল করে। সুতরাং সদা বাবার মুকুটে ঝলমল হয়ে থাকা এ’রকম মস্তকমনি কতো ভালো লাগবে। মনি সদা নিজের প্রভা দ্বারা বাবারও অলঙ্কার হয় আর অন্যদেরও আলো দেয়। অতএব, এ’রকম মস্তকমনি হয়ে অন্যদেরও সে’রকম বানানোর লক্ষ্য সদা থাকে ? সদা শুভ ভাবনা দ্বারা সকলের ভাবনাকে পরিবর্তন করতে তোমরা সক্ষম।

9) সদা বাবাকে ফলো করে তাৎক্ষণিক দান দেওয়ার বিধিতে মহাপুণ্য অর্জন করে এগিয়ে যাচ্ছ, তাই না ! এই বিধিকে সদা সর্বকার্যে প্রয়োগ করলে সদাই বাবা সমান স্থিতির অনুভব নিজে থেকেই হয়। তাইতো সর্বকার্যে ফলো ফাদার করার মাধ্যমে আদি থেকে অনুভাবী থেকেছ, সেইজন্য এখনো এই বিধি দ্বারা সমান হওয়া অতি সহজ, কেননা তোমাদের মধ্যে সমাহিত হওয়া বিশেষত্ব তোমরা ব্যবহার করছ। নিরন্তর বাবা সমান হওয়ার বিশেষ অলৌকিক অনুভূতি করবে এবং অন্যদেরও করাতে থাকবে। এই বিশেষত্বের বরদান আপনা থেকেই তোমরা পেয়েছ। সুতরাং এই বরদান সদা কার্যে প্রয়োগ করে সামনে এগিয়ে চলো।

১০) সদা পরিবর্তনের শক্তিকে যথার্থ রীতিতে কার্যে প্রয়োগকারী তোমরা শ্রেষ্ঠ আত্মা, তাই না ! পরিবর্তনের এই শক্তি দ্বারা সকলের আশিস নেওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠো। যেমন, ঘোর অন্ধকার যখন হয়, সেই সময় যদি কেউ আলো দেখায় তখন অন্ধকারে থাকা তাদের হৃদয় থেকে শুভ কামনা বের হয়, তাই না ! এইভাবে যারা যথার্থ শক্তিকে কাজে লাগায়, তাদের অনেক আত্মা দ্বারা আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয় এবং সবার আশীর্বাদ আত্মাকে সহজভাবে সামনে এগিয়ে দেয়। সদা এই স্মৃতি বজায় রাখ আমি আত্মা আশীর্বাদ নেওয়ার কার্য করি – এই স্মৃতি সদা স্মৃতিতে যদি রাখ তবে যে কাজ করবে, তা’ তোমায় আশীর্বাদ প্রাপ্ত করাবে। আশীর্বাদ প্রাপ্তই হয় শ্রেষ্ঠ কার্য দ্বারা। সুতরাং সদা এই স্মৃতি যেন থাকে – ‘সবার থেকে আশীর্বাদ প্রাপ্ত আমি আত্মা।’ এই স্মৃতি শ্রেষ্ঠ হওয়ার সাধন, এই স্মৃতি অনেকের কল্যাণের নিমিত্ত হয়ে যায়। সুতরাং স্মরণে রেখ যে পরিবর্তন-শক্তি দ্বারা সবার আশীর্বাদ নেওয়া আমি আত্মা। আচ্ছা !

“গ্লোবাল কো-অপারেশন প্রজেক্টের মিটিংয়ের সমাচার বাপদাদাকে

দেওয়া হয়েছে”

বাপদাদা খুশি হন, যখন তোমরা সবাই মিলেমিশে প্ল্যান বানাও এবং তা’ প্র্যাকটিক্যালে নিয়ে আসছ আর আনতে থাকবে। বাপদাদা আর কী চান ! সেইজন্য বাপদাদার এটা পছন্দ। যদি কোনকিছু কঠিন হয় তাহলে বাপদাদা সহজ করে দেবেন। এই বুদ্ধি চালনাও এক বরদান। শুধু ব্যালেন্স রেখে চলো। যখন ব্যালেন্স হবে তখন বুদ্ধি খুব তাড়াতাড়ি নির্ণয় করবে আর ৪ ঘন্টায় যে ডিসকাশন হয় তা’ এক ঘন্টার কম সময়ে হয়ে যাবে। সবার একই রকম মতামত থাকবে। যাই হোক, এটাও ভালো, এটা একটা খেলা, কিছু গড়, কিছু ভাঙো… এতেও আনন্দ আছে। যদি বা প্ল্যান বানাও, পরে রিফাইন কর। বিজি তো থাক। শুধু কোনকিছু বোঝা অনুভব ক’র না, খেলা কর। টাইম কম, যতটা করতে পার ততটা কর। এই সেবাও চলতে থাকবে। যেমন ভাণ্ডারা (রসদাগার/রান্নাঘর) বন্ধ হয় না। এও ভাণ্ডারা, অবিনাশীভাবে চলতে থাকবে। যদি কোনো কাজ হতে সময় লাগছে, তাহলে হয়তো আরও ভালো হবে, সেইজন্য দেরি হয়। যতই হোক, তোমরা পরিশ্রম করছ, অলস নও সেইজন্য বাপদাদা দোষ দেবেন না। আচ্ছা !

বরদানঃ-

বাপদাদা বতন থেকে দেখেন যে অনেক বাচ্চার মুড খুব বদল হয়, কখনো বিস্মিত (আশ্চর্যবত) মুড, কখনো কোশ্চেন মার্কের মুড, কখনো বা কনফ্যুজের মুড, আবার কখনো টেনশন কখনো অ্যাটেনশনের দোলায়… কিন্তু সঙ্গমযুগ হল প্রালব্ধের যুগ, পুরুষার্থী নয়, সেইজন্য যা বাবার গুণ সেটাই বাচ্চাদের, যা বাবার স্টেজ সেটা বাচ্চাদের – এটাই সঙ্গমযুগের প্রালব্ধ। সুতরাং সদা একরস এবং একই সম্পন্ন মুডে থাকো, তবেই বলা হবে বাবা সমান অর্থাৎ প্রালব্ধের প্রতিমূর্তি।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top