27 May 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

May 26, 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

“মিষ্টি বাচ্চারা - বিনাশের সময় এখন অতি নিকটে এসে গেছে, তাই কোনো দেহধারীর সঙ্গে ভালোবাসা না রেখে কেবল বাবার সঙ্গেই সত্যিকারের ভালোবাসা রাখো”

প্রশ্নঃ --

যেসব সন্তানের কেবল বাবার সঙ্গেই সত্যিকারের ভালোবাসা থাকবে, তাদের লক্ষণ কেমন হবে ?

উত্তরঃ -:-

১) তাদের বুদ্ধিযোগ কোনো দেহধারীর দিকে কখনোই যেতে পারে না। ওরা কখনোই নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রেমিক – প্রেমিকা হবে না। ২) যার সত্যিকারের ভালোবাসা থাকবে, সে সর্বদাই বিজয়ী হবে। বিজয়ী হওয়ার অর্থ সত্যযুগে মহারাজা – মহারানী হওয়া। 3) প্রীতবুদ্ধি সম্পন্ন সন্তানেরা সর্বদা বাবার কাছে সৎ থাকে। কিছুই লুকাতে পারে না। ৪) প্রতিদিন অমৃতবেলায় উঠে ভালোবেসে বাবাকে স্মরণ করবে। ৫) দধিচী ঋষির মতো সেবাতে অস্থি অর্পণ করবে। ৬) তাদের বুদ্ধি দুনিয়ার কথাবার্তায় ঘোরাফেরা করবে না।

গান:-

ন ওহ হমসে জুদা হোঙ্গে (তিনি কখনোই আমার থেকে আলাদা হবেন না)…

ওম্ শান্তি । ব্রহ্মার মুখ (জাত) বংশাবলী, ব্রাহ্মণ কুল ভূষণ বাচ্চারা এইরকম প্রতিজ্ঞা করছে, কারন তাদের ভালোবাসা কেবল বাবার সঙ্গেই রয়েছে। তোমরা জানো যে এটা বিনাশের সময়। বাবা বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন যে বিনাশ তো অবশ্যই হবে। বিনাশের সময়ে যার বাবার সঙ্গে ভালোবাসা থাকবে, সে-ই বিজয়ী হবে, অর্থাৎ সত্যযুগের মালিক হবে। শিববাবা বুঝিয়েছেন, রাজা এবং প্রজা উভয়েই সত্যযুগের মালিক হবে, কিন্তু তাদের পদমর্যাদার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। যত বেশি বাবার সঙ্গে ভালোবাসা রাখবে, স্মরণ করবে, তত তোমরা ভালো পদ পাবে। বাবা বুঝিয়েছেন, বাবাকে স্মরণ করলেই তোমাদের বিকর্মের বোঝ ভস্মীভূত হবে। তোমরা লিখতে পারো যে বিনাশের সময়ে প্রীতহীন বুদ্ধি হলে কি অবস্থা হয়। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বাবা বলছেন, আমি নিজে বলছি যে তাদের বিনাশ হবে এবং প্রীতবুদ্ধিদের বিজয় হবে। বাবা একদম স্পষ্টভাবে বলছেন। এই দুনিয়ায় কারোর বুদ্ধিতেই ভালোবাসা নেই। তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা রয়েছে। বাবা বলছেন – বাচ্চারা, পরমাত্মা এবং শ্রীকৃষ্ণের মহিমা সম্পূর্ণ আলাদা। লিখিতভাবে মানুষকে দিলেই প্রমাণ করা যাবে যে গীতার ভগবান কে ? এটা খুব জরুরি। দ্বিতীয়ত, বাবা বোঝাচ্ছেন – জ্ঞানের সাগর, পতিতপাবন পরমপিতাকে বলা যাবে নাকি জলের নদীকে ? জ্ঞানের গঙ্গা নাকি জলের গঙ্গা ? এগুলো খুবই সহজ ব্যাপার। দ্বিতীয় কথা হলো – যখন প্রদর্শনীর আয়োজন করো, তখন দুনিয়ার গীতা পাঠশালার মানুষদেরকে সবার আগে আমন্ত্রণ জানানো উচিত। ওরা সংখ্যায় অনেক। ওদেরকে বিশেষভাবে নিমন্ত্রণ করতে হবে। যারা শ্রীমৎ ভাগবত গীতা পাঠ করে, তাদেরকেই আগে নিমন্ত্রণ করতে হবে কারন তারা নিজেরাও ভুলে গেছে আর সবাইকে ভুলিয়ে দিচ্ছে। তাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলতে হবে যে, এখানে এসে নিজেই বিচার করুন এবং তারপর আপনার যা মনে হয় আপনি করবেন। তখন মানুষ জানবে যে যারা গীতা পাঠ করে, এরা তাদেরকেই নিমন্ত্রণ করে। হয়তো এরা গীতা নিয়েই প্রচার করে। গীতার দ্বারা-ই স্বর্গ স্থাপন হয়েছিল। গীতার অনেক মাহাত্ম্য রয়েছে, কিন্তু এটা ভক্তিমার্গের ওই গীতা নয়। বাবা বলছেন, আমি তোমাদেরকে কেবল সত্যিটাই বলছি। মানুষ এর যেমন ভাবে অর্থ ব্যাখ্যা করেছে, সেটা একেবারেই ভুল। কেউই সত্য বলতে পারে না, কেবল আমিই সত্য বলি। পরমাত্মাকে সর্বব্যাপী বলে দেওয়াও ঠিক নয় – এদের সকলের বিনাশ হবে, প্রতি কল্পেই হয়েছে। তোমাদেরকে প্রথমে এই মুখ্য বিষয়টাই বোঝাতে হবে। বাবা বলছেন, এই বিনাশের সময়ে ইউরোপের যাদব সম্প্রদায়ের বুদ্ধিও প্রীতহীন। বিনাশের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু বুদ্ধি পাথরের মতো হওয়ার কারণে বুঝতেই পারে না। তোমাদের বুদ্ধিও পাথরের মতো ছিল, এখন পরশবুদ্ধি সম্পন্ন হতে হবে। বুদ্ধি পরশের মতোই ছিল, কিন্তু কিভাবে পাথর হয়ে গেল ! কতো আশ্চর্যের, তাই না ? বাবাকে তো নলেজফুল, মার্সিফুল বলা হয়। কিন্তু যে নিজেরই কল্যাণ করতে জানে না, সে কিভাবে অন্যের কল্যাণ করবে ? যে জ্ঞান ধারণ করে না, সে ঐরকমই পদ পাবে। যারা সার্ভিসেবল, তারাই উঁচু পদ পাবে। বাবা তাদেরকেই ভালোবাসেন। পুরুষার্থের ক্রম অনুসারে হয়ে থাকে। কেউ কেউ তো এটাই বুঝতে পারে না যে আমার বুদ্ধিতে বাবার প্রতি ভালোবাসা না থাকার কারণে আমার পদপ্রাপ্তি হবে না। নিজের সন্তান হোক কিংবা সৎ সন্তান, বিনাশের সময়ে যদি বুদ্ধিতে ভালোবাসা না থাকে, বাবাকে ফলো না করে, তাহলে ওখানে গিয়ে কম পদ পাবে। দিব্যগুনও থাকতে হবে। কখনোই মিথ্যে কথা বলা উচিত নয়। বাবা বলছেন, আমি সত্য কথাই বলছি যে, যারা আমার সঙ্গে ভালোবাসা রাখবে না, তাদের পদপ্রাপ্তি হবে না। চেষ্টা করে ২১ জন্মের সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার নিতে হবে। এতএব প্রদর্শনী কিংবা মেলায় সবার আগে দুনিয়ার গীতা পাঠশালার ব্যক্তিদেরকেই নিমন্ত্রণ করতে হবে কারন তারা সবাই ভক্ত। যারা গীতা পাঠ করে, তারা অবশ্যই কৃষ্ণকে স্মরণ করে, কিন্তু কিছুই বোঝে না। কৃষ্ণ তো বাঁশি বাজিয়েছিল, কিন্তু রাধা কোথায় গেল ? সরস্বতীর হাতে বীণা দেখানো হয়েছে আর কৃষ্ণের হাতে মুরলী। মানুষ বলে, আমাদেরকে আল্লাহ জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহকে চেনে না। ভারতেরই কাহিনী। ভারতেই দেবী-দেবতাদের রাজত্ব ছিল। মন্দিরে ওদের ছবিকে পূজা করা হয়। অন্যান্য রাজাদের মূর্তি তো বাইরে রাখা থাকে যার ওপর পাখিরা কত নোংরা করে দেয়। লক্ষ্মী-নারায়ণ, রাধা-কৃষ্ণ ইত্যাদিকে কত ফার্স্টক্লাস জায়গায় বসানো হয়। ওদেরকে মহারাজা-মহারানী বলা হয়, ইংরেজিতে কিং। কত লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে মন্দির বানানো হয়। কারন ওরা পবিত্র মহারাজা ছিল। যেমন রাজা-রানী পূজনীয় ছিল, সেইরকম প্রজারাও ছিল। তোমরাই পূজনীয় থেকে পূজারী হয়ে যাও। অতএব, মুখ্য বিষয় হলো – বাবাকে স্মরণ করো। বাবাকে স্মরণ করার অভ্যাস করলেই জ্ঞান ধারণ হবে। একজনের সঙ্গে ভালোবাসা না থাকলেই অন্য অনেকের সঙ্গে ভালোবাসা হয়ে যায়। এমন কিছু সন্তান আছে, যারা একে অপরকে এতটা ভালোবাসে যে শিববাবাকেও অত ভালোবাসে না। শিববাবা বলছেন – তোমাদের বুদ্ধি আমার সাথেই যুক্ত করা উচিত নাকি একে অপরের প্রেমিক-প্রেমিকা হওয়া উচিত। তারপর আমাকে একেবারে ভুলে যায়। তোমাদেরকে আমার সঙ্গেই বুদ্ধি যুক্ত করতে হবে। এর জন্যই পরিশ্রম করতে হয়। বুদ্ধিযোগ অন্যদিক থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না। শিববাবাকে স্মরণ না করে, কেবল সারাদিন একে অন্যের কথা স্মরণ করে। বাবা যদি তাদের নাম বলে দেন, তবে তারা বিশ্বাসঘাতক হয়ে যায়। তারপর গালি দিতেও দেরি করে না। এই বাবাকে যদি গালি দাও, তবে শিববাবাও সঙ্গে সঙ্গে শুনে নেবেন। ব্রহ্মার কাছে পড়াশুনা না করলে শিববাবার কাছেও পড়াশুনা করতে পারবে না। ব্রহ্মাকে ছাড়া তো শিববাবা বলতেই পারবেন না। তাই তিনি সাকার বাবাকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন। অনেক ভালো ভালো সন্তান আছে যারা সাকার বাবাকে সম্মান করে না। ওরা ভাবে, ইনিও তো পুরুষার্থী। পুরুষার্থী তো সকলেই, কিন্তু তোমাদের তো মাতা-পিতাকেই ফলো করতে হবে। কাউকে বোঝালে বুঝে যায়, কারোর ভাগ্যে না থাকলে বুঝতেই পারে না, সার্ভিসেবল হয় না। কেবল বাবার প্রতিই বুদ্ধিযোগ রাখতে হবে। আজকাল অনেকেই বলে যে আমার মধ্যে শিববাবা আসেন। এই বিষয়ে খুব সাবধান থাকতে হবে। মায়া প্রবেশ করে। যাদের মধ্যে আগে শ্রী নারায়ন ইত্যাদির আগমন হত, তারাও আজকে নেই। কেবল প্রবেশ করলেই কিছু যায় আসে না। বাবা বলছেন, মামেকম্ (কেবল আমাকেই) স্মরণ করো। এছাড়া যারা বলে – আমার মধ্যে ইনি আসেন, আমার মধ্যে উনি আসেন – এগুলো সব মায়া। আমাকে স্মরণ না করলে তার কি প্রাপ্তি হবে ? যতক্ষণ না পর্যন্ত বাবার সাথে সরাসরি যোগযুক্ত হচ্ছ, ততক্ষণ কিভাবে পদ পাবে আর ধারণা হবে ?

বাবা বলছেন, তুমি মামেকম্ স্মরণ করো। আমি ব্রহ্মার দ্বারা-ই বোঝাই, ব্রহ্মার দ্বারা-ই স্থাপন হয়েছিল। ত্রিমূর্তিকেও প্রয়োজন। কেউ কেউ ব্রহ্মার ছবি দেখে বিগড়ে যায়, কেউ আবার কৃষ্ণের ৮৪ জন্মের কাহিনী শুনে বিগড়ে যায়। ছবিকেই ছিঁড়ে দেয়। আরে, এই ছবি তো স্বয়ং বাবা বানিয়েছেন। তাই বাবা বাচ্চাদেরকে বলছেন – ভুলে যেও না, কেবল বাবাকেই স্মরণ করতে থাকো। যারা বন্ধনে আছে, তাদেরও কান্নাকাটি করা উচিত নয়। ঘরে বসেই বাবাকে স্মরণ করতে থাকো। যারা বন্ধনে রয়েছে, তারা তো আরো ভালো পদ পেতে পারবে। বাচ্চারা, তোমাদেরকে স্বয়ং জ্ঞানের সাগর জ্ঞান দেন। কেবল বাবা ছাড়া অন্য কারোর মধ্যেই আধ্যাত্মিক জ্ঞান নেই। পরমপিতা পরমাত্মা-ই হলেন জ্ঞানের সাগর। তাঁকেই মুক্তিদাতা বলা হয়। এরজন্য ভয় পেলে হবে না। বাবা বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন। বাচ্চাদেরকে আবার অন্যদেরকে বোঝাতে হবে। বাবা বলছেন, আমাকে স্মরণ করলে সদগতি পাবে। সত্যযুগে রাম রাজত্ব থাকে, কলিযুগে নয়। সত্যযুগে একটাই রাজ্য থাকবে। এইসব বিষয়গুলো তোমাদের বুদ্ধিতেও ক্রমানুসারে ধারণ হয়। যার ধারণ হয় না, তার ক্ষেত্রে বলা হবে – বিনাশের সময়ে বিপরীত বুদ্ধি। ওদের পদপ্রাপ্তি হয় না। বিনাশ তো সকলের হবে। এই শব্দটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিববাবা বলেন, বিনাশের সময়ে প্রীতবুদ্ধি সম্পন্ন হও। এটাই তোমাদের অন্তিম জন্ম। এই জন্মে যদি ভালোবাসা না রাখো, তবে পদপ্রাপ্তি হবে না। সৎ হৃদয়ের জন্য সাহেব রাজি হয়ে যান। দধিচী ঋষির মতো সেবাকার্যে অস্থি অর্পণ করতে হবে। কখনো কারোর ওপর গ্রহের দশা লাগলে তার জ্ঞানের নেশা কেটে যায় এবং অনেক রকমের বাধা আসে। মুখে বলে, এর থেকে তো লৌকিক দুনিয়ায় চলে যাওয়াই ভালো। এখানে একটুও মজা নেই। ওই দুনিয়ায় অনেক রকমের নাটক, বায়োস্কোপ রয়েছে। যারা ঐসব বিষয়ে ফেঁসে আছে, তাদের পক্ষে এখানে টিকে থাকা খুব মুশকিল। তবে পুরুষার্থ করলেই উঁচু পদপ্রাপ্তি হবে। হাসিখুশী থাকতে হবে। এই বাবা নিজেও বলেন যে ভোরবেলা উঠে স্মরণ না করলে মজা আসে না। শুয়ে থাকলে কখনো কখনো ঘুম চলে আসে। উঠে বসলে ভালো ভালো পয়েন্ট বেরিয়ে আসে, খুব মজা হয়।

এখন আর খুব সামান্য সময় বাকি আছে, আমরা বাবার কাছ থেকে বিশ্বের রাজত্ব নিচ্ছি। এখানে বসে স্মরণ করলে স্মরণের পারদ ঊর্ধ্বগামী হবে। ভোরবেলা উঠে চিন্তন করলে, সারাদিন খুশিতে থাকা যায়। যদি খুশি না থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই বুদ্ধিতে বাবার প্রতি ভালোবাসা নেই। অমৃতবেলায় একান্তে ভালো সময় পাওয়া যায়, যত বেশি বাবাকে স্মরণ করবে, তত খুশির পারদ ঊর্ধ্বগামী হবে। এই পড়াশুনাতে বাবাকে ভুলে গেলেই গ্রহের দশা লেগে যায়। বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার নেওয়ার জন্য মন-বাণী এবং কর্মের দ্বারা সেবা করতে হবে। এই সেবাতেই এই অন্তিম জন্ম অতিবাহিত করতে হবে। যদি এখন দুনিয়ার অন্যান্য ব্যাপারে ব্যস্ত হয়ে যাও, তবে এই সেবা কবে করবে ? কাল, কাল করে একদিন মরেই যাবে। বাবা স্বর্গে নিয়ে যাওয়ার জন্যই এসেছেন। এখানে যুদ্ধের সময়ে কত মানুষ মারা যায়। কত মানুষ দুঃখ পায়। ওখানে কোনো যুদ্ধ হবে না। এগুলো সব অন্তিম সময়ের ঘটনা। সবকিছু বিনষ্ট হয়ে যাবে। যারা অনাথ, তারা এমনিই মারা যাবে। আর যারা সনাথ, তারা রাজ্য ভাগ্য পেয়ে যাবে। প্রদর্শনীতে বোঝাতে হবে যে আমরা নিজের উপার্জনের দ্বারা, নিজের শরীর, মন এবং সম্পত্তি দিয়ে নিজের রাজত্ব স্থাপন করছি। আমরা ভিক্ষা করিনা। তার কোনো প্রয়োজন হয় না। অনেক ভাই বোন একসাথে রাজধানী স্থাপন করছে। আপনারা কোটি কোটি টাকা সঞ্চয় করেও নিজের বিনাশ করছেন, আর আমরা প্রত্যেকটা পয়সা জমা করে বিশ্বের মালিক হচ্ছি। কত আশ্চর্যের ব্যাপার। আচ্ছা –

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্নেহ-সুমন স্মরণ-ভালবাসা আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী সন্তানদের জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) অমৃতবেলায় একান্তে বসে বাবাকে ভালোবেসে স্মরণ করতে হবে। দুনিয়ার কথাবার্তায় না গিয়ে ঈশ্বরীয় সেবাতে নিযুক্ত থাকতে হবে।

২ ) বাবার সঙ্গে সত্যিকারের ভালোবাসা রাখতে হবে। নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রেমিক-প্রেমিকা হওয়া উচিত নয়। কেবল বাবার সঙ্গেই ভালোবাসা রাখতে হবে, কোনো দেহধারীদের সঙ্গে নয়।

বরদানঃ-

আজকাল পরস্পরের মধ্যে যে আকর্ষণ রয়েছে সেটা স্নেহের কারণে নয়, স্বার্থের জন্য। স্বার্থের জন্যই আকর্ষণ রয়েছে আর আকর্ষণ থাকার জন্যই নির্লিপ্ত হতে পারো না। তাই আগে ‘স্বার্থ’ শব্দের প্ৰকৃত অর্থে অবস্থান করো অর্থাৎ আগে ‘স্ব’-এর ‘রথ’-কে স্বাহা (অর্পণ) করো। এই স্বার্থ না থাকলে সহজেই নির্লিপ্ত হয়ে যাবে। এই একটা শব্দের অর্থ জেনে গেলে সর্বদাই একজনের এবং একরস হয়ে যাবে। এটাই হলো সহজ পুরুষার্থ।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top